আমাদের ভারত, ১৪ আগস্ট: জঙ্গি সংগঠন জৈশ-ই-মহম্মদের টার্গেটে অযোধ্যার রাম জন্মভূমি ও পানিপথের তৈল শোধনাগার। জম্মু কাশ্মীর থেকে ধৃত জৈশ জঙ্গিদের জেরায় উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য।
জানা গিয়েছে ১৫ আগস্টে আগে জম্মু-কাশ্মীরে বড়সড় হামলার ছক ছিল পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন জৈশের। তাদের নজরে রয়েছে পানিপথের তৈল শোধনাগার ও অযোধ্যার রামমন্দির। ৭৫তম স্বাধীনতা দিবসের আগে শনিবার জঙ্গি হামলার ছক বানচাল করে পুলিশ জৈশের চার জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, উপত্যকায় আইডি বিস্ফোরণের ছক কষেছিল জঙ্গিরা। এছাড়া ড্রোনের মাধ্যমে পাকিস্তান থেকে অস্ত্র পাচার এবং অন্য জঙ্গিদের কাছে সেই অস্ত্র পৌঁছে দেওয়ার কাজ করতো ধৃতরা।
প্রথমে পুলওয়ামা এলাকা থেকে পুলিশের জালে ধরা পড়ে যায় জৈশ জঙ্গি মুন্তাজির মানজুর। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয় একটি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং দুটি চাইনিজ গ্রেনেড। এছাড়া একটি ট্রাকও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। ধৃত জঙ্গি মুন্তাজিরকে জেরা করে আরও তিনজনের খবর পান তদন্তকারীরা। এরপর তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের আইডিজিপি জানিয়েছেন, জেরায় জঙ্গি ইজহার খান স্বীকার করেছে তাদের টার্গেট ছিল পানিপথের তৈল শোধনাগার এবং অযোধ্যার রাম জন্মভূমি। এই দুটি স্পটের রেইকি করতে বলা হয়েছিল তাদের। সেখানকার ভিডিও পাকিস্তানের বসে থাকা জৈশ কমান্ডার মুনাজির ওরফে শাহিদকে পাঠিয়েছে তারা।
সোপিয়ান থেকে ধৃত জঙ্গি তাওসিক আহমেদ জানিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরে বড়সড় হামলা লক্ষ্যে পুরনো বাইক কেনার দ্বায়িত্ব ছিল তার ওপর। জানা গেছে, ধৃত চতুর্থ জঙ্গি জাহাঙ্গির আহমেদ মূলত ভারতে জইশের হয়ে জঙ্গি নিয়োগের দায়িত্বে ছিল।
গোয়েন্দা সূত্রে খবর, স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দেশের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি স্থানে বড়সড় নাশকতার ছক কষেছিল পাক মদদপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনগুলো। সেইজন্যই সজাগ করা হয়েছে বিভিন্ন শহরের পুলিশ থেকে নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত সংস্থাগুলিকে

