এই মুহূর্তে কেন্দ্রের ডাকা বৈঠকে গেলে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ পুড়বে বলেই যাচ্ছেন না: দিলীপ ঘোষ

পার্থ খাঁড়া, মেদিনীপুর, ২৮ অক্টোবর: হরিয়ানার সুরজকুন্ডে চিন্তন শিবিরের আয়োজন করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সেখানে বিভিন্ন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। গতকাল থেকে অমিত শাহের ডাকা দু’দিনের সেই বৈঠক শুরু হলেও যাননি মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর তীব্র সমালোচনা করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

চিন্তন শিবিরে মুখ্যমন্ত্রী যোগ না দেওয়ায় দিলীপ ঘোষ বলেন, কেন্দ্রের কোনও বৈঠকে না গিয়ে বয়কট করে কিভাবে রাজনীতি করা যায় তা এতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করে দেখিয়েছেন। এবারও তাই করেছেন। তবে এবার পরিস্থিতি অন্যরকম। এই মুহূর্তে বৈঠকে গেলে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ পুড়বে সেখানে। গরু পাচার, কয়লা পাচার কেন বন্ধ হচ্ছে না, নারী ধর্ষণ, খুন কেন বন্ধ হচ্ছে না, রাজ্যের পরিস্থিতি এমন কেন, সেই প্রশ্নের জবাব দিতে পারবেন না কেন্দ্রকে। সেখানে মুখ পুড়বে বলেই কেন্দ্রের বৈঠক এড়িয়ে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী।

গতকাল ভাইফোঁটা নিতে ঝাড়গ্রামে দিদির বাড়ি গিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। ভাইফোঁটা নিয়ে বলেন, কালের নিয়মে আমাদের দুজনেরই বয়স বেড়েছে। কিন্তু আমাদের মধ্যের স্নেহ একই রয়েছে। বহুদিন পর দিদির সাক্ষাৎ পেলাম। ভাইবোন একত্রিত হওয়ার আবেগটাই আলাদা। আজকের কর্মব্যস্ত জীবনে সকলেই ছুটছে। তবু সবাইকে অনুরোধ করব সময় বের করে অন্তত ভাইফোঁটার দিনটা নিজেদের ভাইবোনদের সঙ্গে কাটান।

সন্ধ্যায় মেদিনীপুর শহরের তাঁতিগেড়িয়া এলাকায় রাবণ বধের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়েছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। অনুষ্ঠানে রাবণ বধের সূচনা করে রাজ্যের বিভিন্ন পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করেন তিনি।

সৌগত রায় বলেছেন দিলীপ ঘোষের কথার কোন মূল্য নেই, এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য: সৌগত রায়ের কথারই কোনও মূল্য নেই। উনার লোকেরা ওনাকে নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়ে যাচ্ছে। বয়স হচ্ছে বোঝা যাচ্ছে। এমন একটা বয়সে পৌঁছেছেন যেখানে কোনও পরামর্শ বা কোনও কিছুই কাজ করবে না। আমার মনে হয় ওনার ঘুমের ওষুধ খেয়ে ঘুমানো উচিত।

জামকন্ডাতে আদিবাসী দম্পতির বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় চাকরি ও আর্থিক ক্ষতিপূরণ বিষয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন: সব জায়গাতেই শাসকদলের লোকজনেরা কোনও না কোনও ভাবে জড়িত। সেক্ষেত্রে কোথাও পুলিশ গিয়ে ধামাচাপা দিচ্ছে কিংবা দলের থেকে টাকা পয়সা দিয়ে চেপে দেওয়া হয়। কোথাও অপরাধীরা সাজা পাচ্ছে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *