আমাদের ভারত ১৮ নভেম্বর: ইতিমধ্যেই জ্ঞানব্যাপী মসজিদে বৈজ্ঞানিক সমীক্ষার ১০০ দিন পূর্ণ হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বারানসি আদালতে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া আরও ১৫ দিন সময় চাইল বৈজ্ঞানিক সমীক্ষার জন্য। শনিবার ছিল আদালতের পরবর্তী শুনানি।
২১ জুলাই বারানসি আদালত জানিয়ে দেয়, মসজিদের ওজুখানায় থাকা স্থাপত্য, যাকে শিবলিঙ্গ বলে দাবি করা হচ্ছে, সেটা বাদে মসজিদের বাকি অঞ্চলের বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা করবে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া। নির্দেশ মেনে রায়েদানের মাত্র দু’দিন পরেই শুরু হয় সমীক্ষার কাজ।
এদিকে জ্ঞানব্যাপীতে বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা চালালে মসজিদ ভেঙ্গে পড়তে পারে বলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল মসজিদ কর্তৃপক্ষ। যদিও সেই দাবি খারিজ করে দেয় এলাহাবাদ হাইকোর্ট। আদালত জানিয়ে দেয়, ওখানে উপস্থিত কোনো কিছুকেই সরানো যাবে না জায়গা থেকে। মসজিদ কমিটি এরপর সুপ্রিম কোর্টে গেলেও হাইকোর্টের রায়কেই বজায় রাখে দেশের শীর্ষ আদালত।
২ নভেম্বর রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা ছিল। পরে তা জমা দেওয়ার মেয়াদ বাড়িয়ে ১৩ নভেম্বর করা হয়। কিন্তু শুক্রবার এএসআইয়ের তরফে জানানো হয়, তাদের আরো ১৫ দিন সময় দেওয়া হোক।
২০২১- এর আগস্টে ৫ হিন্দু মহিলা জ্ঞানব্যাপীতে মা শৃঙ্গার গৌরীর পুজোর অনুমতি চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। মসজিদের অন্দরে পশ্চিমের দেওয়ালে দেব- দেবীর মূর্তি আছে বলে দাবি করে পূজার্চনার অনুমতি চেয়েছিলেন তারা। সেই মামলায় বারাণসি দায়রা আদালতের বিচারক রবি কুমার দিবাকর নিযুক্ত কমিটির নির্দেশে জ্ঞান ব্যাপী মসজিদের ভিতরে শুরু হয়েছিল ভিডিও সার্ভে। কিন্তু সেই রিপোর্ট লিক হয়ে মসজিদের ওজুখানায় শিবলিঙ্গ রয়েছে বলে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল।

