এসআই ইনকেলাব আহমেদ, এক বিজেপি কর্মীর অন্ডকোষে লাথি মেরেছেন, অভিযোগ সুকান্তর

আমাদের ভারত, ৩১ জুলাই: শনিবার হাজরা মোড়ে বিজেপির চোর ধরো জেলে ভরো কর্মসূচি ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। পোস্টার লাগাতে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ওঠে পুলিশের ওপর। সেখান থেকে একরকম হাইজ্যাক করার মতো আটক করা হয় বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে।

দুপুর আড়াইটে নাগাদ ওই কর্মসূচিতে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার যোগ দিতে এলে তাকে গাড়ি থেকে নামতে না দিয়ে কার্যত তাকে রীতিমতো টানা হ্যাঁচড়া করে পুলিশ আটক করে। সন্ধ্যে বেলায় লালবাজার থেকে বেরিয়ে তিনি রাজ্য সরকার, ত‌ণমূল কংগ্রেস ও পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হন। তাঁর কথায় পুলিশ না থাকলে তৃণমূল দলটাই উঠে যাবে।

সন্ধ্যে পৌনে সাতটা নাগাদ জামিন পেয়ে সেন্ট্রাল লক আপের গেট দিয়ে বেরিয়ে আসেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সেই সময় তাকে ফুলের মালায় বরণ করে নেয় দলের কর্মী সমর্থকরা। বাংলা মায়ের দামাল ছেলে বলে স্লোগান দিতে থাকেন তারা। এরপর কর্মী-সমর্থকদের সাথে নিয়ে মিছিল করে সেন্ট্রাল এভিনিউ হয়ে মুরলি ধর সেন লেনে বিজেপির দলীয় কার্যালয় যান। দলীয় কার্যালয়ে পৌঁছে রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন বঙ্গ বিজেপি সভাপতি।

সুকান্ত মজুমদার বলেন, সরকারের চুরির কথা বলছি বলে অত্যাচার নামিয়ে এনেছে রাজ্যের পুলিশ। তাঁর কটাক্ষ, “পুলিশ আছে বলেই তৃণমূল দলটা চলছে। পুলিশ ছাড়া তৃণমূল কংগ্রেসের কিছুই নেই। পুলিশ সরে গেলে দলটা উঠে যাবে।”

অভিযোগের সুরে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “ভারতবর্ষে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পরীক্ষা আইপিএস পরীক্ষা দিয়ে পাস করে আসা পুলিশ অফিসাররা তৃণমূল কংগ্রেসের ক্যাডারের মত ব্যবহার করছেন।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “হেয়ার স্ট্রিটের একজন এসআই যার নাম ইনকেলাব আহমেদ, গ্রেপ্তার হওয়া এক বিজেপি কর্মীর ওপর বর্বরোচিত অত্যাচার করেছেন আজ। তার অন্ডকোষে লাথি মারার মতো ঘটনা ঘটিয়েছে ওই এস আই। আর বর্বরতার ঘটনা ঘটেছে পুলিশি হেফাজতে থাকা কালীন।”

সুকান্ত মজুমদার জানিয়েছেন এই সমস্ত কিছুর বিরুদ্ধে নবান্ন ঘেরাও করবে বিজেপি। তিনি জানিয়ে দেন, আগামী সেপ্টেম্বর মাসেই নবান্ন ঘেরাও করবে বঙ্গ বিজেপি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *