সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগনা, ১৪ মে: আইসিএমআরের অনুমোদন ছাড়াই করা হচ্ছিল করোনার পরীক্ষা। এই অভিযোগে প্যাথলজির মালিককে গ্রেফতার করা হয়। বন্ধ করে দেওয়া হয় তাঁর প্যাথলজি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটে উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া থানার জয়গাছি এলাকায়।

প্রশাসন সূত্রে জানা যায়,
হাবড়ার জয়গাছির পিন্টু পালনামে এক ব্যক্তি নিজেই একটি প্যাথলজি খুলে রমরমা ব্যবসা চালচ্ছিলেন। তিনি পেটকেয়ার নামে
কলকাতার এক ল্যাবের সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করছেন।বেসরকারি ভাবে করোনা
টেস্ট করানোর জন্য সাধারণ মানুষ এই এজেন্টের কাছ
থেকে পরীক্ষা করায়। গত সপ্তাহে এমনই এক
রোগী এই প্যাথলজিতে এসে পিন্টু পালের কাছ থেকে করোনা পরীক্ষা করায় এবং রিপোর্ট পজিটিভ আসে। রোগীর শারীরিক অবস্থার
অবনতি হওয়ায় তাকে
কলকাতার হাসপাতালে ভর্তি করার সময় রোগীকে ভর্তি
করতে অসুবিধায় পড়েন রোগীর পরিবার।দেখা যায় পেটকেয়ার নামে যে ল্যাব থেকে পরীক্ষা করা
হয়েছে তার আইসিএমআর রেজিস্ট্রেশন নেই।তড়িঘড়ি স্বাস্থ্য দপ্তরের
সাহায্যে রোগী ভর্তি হলেও পরিবারের লোকজন স্বাস্থ্য
দপ্তরে অভিযোগ করেন।এরপর স্বাস্থ্য দপ্তর নড়েচড়ে বসেন।হাবড়া প্রশাসনের সাহায্যে ওই কালেকশন এজেন্ট পিন্টু পালকে গ্রেফতার করে হাবড়া থানার পুলিশ। এরপর তাঁর প্যাথলজি সিল করে দেওয়া হয়।হাবড়া হাসপাতালের সুপার
বিবেকানন্দ বিশ্বাস সকল মানুষকে সরকারি জায়গা
থেকেই পরীক্ষা করার আহ্বান জানান।

