আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগনা, ২৮ ফেব্রুয়ারি:
ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের রুট মার্চ। অলিতে-গলিতে এবং শহরাঞ্চলেও জওয়ানদের রুটমার্চ।
এক প্লাটুন (২৪জন) আধাসামরিক বাহিনী রবিবার পৌছাল হাবড়া থানায়। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি হাবড়া শহর এলাকায় চলছে রুট মার্চ, সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করেছে আধাসামরিক বাহিনী। ঘুরে বেড়াচ্ছেন সেনা জওয়ানরা। পথচলতি মানুষ থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী প্রত্যেকের সঙ্গে কথা বলছেন জাওয়ানরা। জওয়ানদের সহযোগিতা করছেন রাজ্য পুলিশও। সেনা জওয়ানদের সঙ্গে ছিলেন উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসাত জেলা পুলিশের ডিএসপি রোহেত শেখ এবং হাবড়া থানার আইসি গৌতম মিত্র। তাঁদের নেতৃত্বে এদিন সকাল হতেই হাবড়ার বিভিন্ন এলাকায় অলিতে-গলিতে, বাজার এলাকায় চলছে জাওয়ানদের এই রুট মার্চ। পুলিশ কর্মীরা রাস্তার পাশে বিভিন্ন জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকা পথচলতি মানুষ সহ সাধারন মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন এবং নির্বিঘ্নেই ভোট দিতে যাবার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন।

পাশাপাশি পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয় যদি কেউ কোনো রকম ভাবে কোনও ভোটারকে প্রভাবিত করেন বা কোনো ভয়-ভীতি দেখান তাহলে অতিসত্বর যেন পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং সেনাবাহিনীর সঙ্গেও যোগাযোগ করেন। তা হলে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাবেন। পুলিশ এবং সেনা জওয়ানদের এই আশ্বাসে খুশি সাধারণ মানুষ। জওয়ানদের উপরে ভরসা রাখছেন সাধারণ মানুষ এমনটাই জানিয়েছেন তারা।

বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে শুরু করে বিভিন্ন নির্বাচনে এই রাজ্যে গুলি-বোমা আর রক্ত ঝড়তে দেখেছে মানুষ। অসংখ্য মায়ের কোল খালি হয়েছে। তাইনির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী এই বাংলায় একুশের ভোট হবে ১০০% সেনা জওয়ান দিয়ে। তাই আর কোনও রক্ত দেখতে চায় না নির্বাচন কমিশন। তবে ভোটের দিন যতই এগিয়ে আছে নির্বাচনী উত্তেজনার পারদ ততই বাড়ছে। এখন দেখার একুশে বাংলা কতটা শান্ত থাকে আর কতটাই বা নির্বিঘ্নে ভোট হয় তার দিকেই তাকিয়ে সকলে।

