৮৩ নম্বর ওয়ার্ডে সিপিএমের পুরপ্রার্থী তরুণ তূর্কি অর্করঞ্জন ভট্টাচার্য

অশোক সেনগুপ্ত
আমাদের ভারত, ১০ ডিসেম্বর: ২০২১ সাল থেকে ডিওয়াইএফআই। সুরেন্দ্রনাথ কলেজ থেকে আইনের পর আলিপুর কোর্টে প্র্যাকটিস চলছে। আসন্ন পুরভোটে কালীঘাট অঞ্চলের ৮৩ নম্বর ওয়ার্ডে সিপিএম প্রার্থী করেছে অর্করঞ্জন ভট্টাচার্যকে। কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য সম্পর্কে অর্কর কাকা।

কাকার পরিচিতি নিয়ে অর্কর বক্তব্য, “লড়াই আন্দোলনের মাধ্যমে আমার উঠে আসা। কাকা মেয়র ছিলেন বলে ফাঁকতালে প্রার্থী হইনি।” এই প্রতিবেদককে জানালেন, বাড়ি কালীঘাটে যদু ভট্টাচার্য লেনে। পাঠভবন থেকে ২০১৩ সালে উচ্চমাধ্যমিক।

ক্লাশ টুয়েলভে পড়ার সময়ে এসএফআইয়ে নাম লেখান। অল ইন্ডিয়া লইয়ার্স ইউনিয়নের সর্বভারতীয় সভাপতি বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। ওই সংগঠনের প্রার্থী হয়ে ২০১৯-এ আলিপুর বার অ্যাসোসিয়েশনের ভোটে দাঁড়িয়েছি অর্ক। হেরে যান। এছাড়া কখনও ভোটে দাঁড়াননি। তাই আগামী ভোট নিয়ে একটা বিশেষ আগ্রহ আছে। অর্ক প্রচারে বলছেন, “তৃণমূল সমর্থকরা আমার ইয়ার দোস্ত। আড্ডার ঠেকে কোনও রাজনীতি নেই।”

বরো আটের অধীন কালীঘাট ও সংলগ্ন এলাকা নিয়ে ৮৩ নম্বর ওয়ার্ড। ২০১১-র জনগণনায় লোকসংখ্যা ছিল ২২ হাজার ১৬৩। এবার জেতার ব্যাপারে অনেকটা নিশ্চিত অর্ক। কেন? এই প্রতিবেদককে জানালেন, “দু‘দশকের ওপর এখানে কাউন্সিলার ছিলেন তৃণমূলের মঞ্জুশ্রী মজুমদার। কোনও কাজ করেননি। এবার তাঁকে প্রার্থী না করে দল প্রার্থী করেছে দলের ব্লক সভাপতি প্রবীর মুখার্জিকে। দীর্ঘদিন খাল সংষ্কার হয়নি। বর্ষা ও ভরা কোটালের জল ভাসিয়ে দেয় নানা জায়গা। মশা, বর্জ্য— সব মিলিয়ে লোকে ক্ষুব্ধ। পুর-ক্লিনিকের পরিষেবা ভাল নয়। এ সবের প্রভাব পড়বে পুরভোটে।“

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *