ব্যঙ্গ বিতর্কে স্বপক্ষে যুক্তি দেখিয়ে নেটনাগরিকদের তোপে কল্যাণ

আমাদের ভারত, ২০ ডিসেম্বর: ‘মিমিক্রি তো প্রধানমন্ত্রীও করেছেন, এটা এক রকমের শিল্প’, জগদীপ ধনখড়কে অনুকরণ বিতর্কে মুখ খুললেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় একই সুরে প্রধানমন্ত্রীর ছবি সহ নিজের এক্স হ্যাণ্ডেলে মন্তব্য করেছেন সদ্য সাসপেন্ড হওয়া সাংসদ মহুয়া মৈত্র। নেটনাগরিকদের তরফে অবশ্য ওঁদের সমর্থক কম।

দেবজিৎ দত্ত লিখেছেন, “রাষ্ট্রপতি সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগ করুক এই মাতালের বিরুদ্ধে।” অপর একটি পোস্টে তিনি লিখেছেন, “শিম্পাঞ্জি খুব ভাল নকল করতে পারে!” ঝুমা সেন লিখেছেন, “এই সরকারের আমলে শিল্প বলতে এগুলোই বোঝে মানুষ।” সুশোভন মিত্র লিখেছেন, “এটা একদম ছোট লোক।”

তিমিরবরণ সমাদ্দার লিখেছেন, “বাংলায় এখন কোনো শিল্প নেই চাকরি নেই। এখন তুই মিমিক্রি শিল্প খুলে ফেল। চপ শিল্প, কচুরীপানা শিল্প, কাশফুলের বালিশ শিল্প এবার যোগ হল মিমিক্রি শিল্প।” শ্যামল ভরদ্বাজ লিখেছেন, “সংসদটা মানুষের ভালোর জন্য,আপনাদের বালখিল্যতার জন্য নয়। এটা অন্তত বুঝতে শিখুন।”

মন্টু বিশ্বাস লিখেছেন, “এই ছোটোলোক জোকারের রাজনৈতিক ক‍্যারিয়ারটা ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে আসছে মিমিক্রি আইডোলোজির কারণে।” অয়ন মজুমদার লিখেছেন, “মুখটা দেখলেই কেমন যেন মাতাল মাতাল লাগে।” সনাতন বিশ্বাস লিখেছেন, “ভাঁড় হলে, তার স্থান অন্যত্র।” পল্লব চৌধুরী লিখেছেন, “মিমিক্রিও একটি শিল্প? নিশ্চয়ই তাই। তবে সবাই যোগেশ দত্ত নন। তাই একটু এদিক ওদিক হলেই ভাঁড়ামো হয়ে যায়।”

বিশ্বজিৎ মিশ্র লিখেছেন, “এই ঘটনা, কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়! যা অতীতে বহুবার কদর্য, নোংরা ও অশালীন ভাষায়, মিমিক্রির মধ্য দিয়ে তুলে ধরেছে- এই সততার সৈনিকরা! কী ব্যাবস্থা নিয়েছে, আইন- আদালত- বিচার ব্যবস্থা? অম্বিকেশবাবুর কথা মনে আছে? সেই সঙ্গে, প্রধানমন্ত্রী থেকে রাষ্ট্রপতি সহ.. স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাউকে বাদ দেয়নি এরা! স্পিকারের দিকে কালো শাল থেকে ফাইল ছুঁড়ে দেওয়া, মনে আছে?
বিধানসভা ভাঙ্গচুরের কথা মনে আছে? তবুও বাংলা ও বাঙালি.. গর্ব ও অহংকারের সাথে- এদের বুকে আগলে রেখেছে! বাংলা ও বেশিরভাগ বাঙালি, আজ এগুলোকে অলঙ্কার হিসেবে মনে করে। তাই তো এদের কাছে, বিবেক- বুদ্ধি ও মূল্যবোধ মাত্র ৫০০ টাকায় বিক্রি করে বহাল তবিয়তে আছে। বার বার এরা এসব করে পার পেয়ে যায় বলেই.. ঔদ্ধত্যের সীমা আজ ধ্বংসের জোয়ারে পরিণত হয়েছে!”

অন্যদিকে পরিমল খান লিখেছেন, “কাদের বলে বলীয়ান হয়ে ধনখড় এমনটা আকছার করে? সবটাই একটা ছ্যাবলামি। একটা পদ যেটা সব দলের কাছে নিউট্রাল বা নিরপেক্ষ, তাহলে উপরাষ্ট্রপতি পদাধিকার বলে রাজ্য সভার চেয়ারম্যান পদে, তাহলে কি বিজেপির তাঁবেদারী করার জন্যে? না সবার জন্যে?”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *