গোপাল রায়, আমাদের ভারত, আরামবাগ, ৮ জুলাই:
শনিবার সকাল থেকেই তৃণমূল বিজেপি সংঘর্ষে
উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আরামবাগের তিরুল এলাকা। আরামবাগে সাতমাথা এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয় নির্দল প্রার্থী কাইমুদ্দিন মল্লিক। এই ঘটনায় বোমার আঘাতে জখম হয় তৃণমূল কর্মী জামির হোসেন। দু’জনেরই অবস্থা শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। গুলিবিদ্ধ কাইম উদ্দিন আরামবাগ হাসপাতালে ভর্তি। জামির হোসেনকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
অন্যদিকে, আরামবাগের আড়ান্ডি এলাকায় বুথের সামনে ব্যাপক বোমাবাজি হয় নির্দল তৃণমূল সমর্থকদের মধ্যে। আরামবাগ মায়াপুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৫৩ ও ৫৪ নম্বর বুথে অভিযোগ ওঠে, তৃণমূল বহিরাগতদের দিয়ে মহিলা ভোটারদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিপিএম, বিজেপি ও তৃণমূলের সংঘর্ষে আহত বেশ কয়েকজন। বেশ কয়েকটি মোটর বাইকে ভাঙ্গচুর করা হয়। এছাড়া, আরামবাগের মায়াপুর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৫৩ নম্বর বুথে ছাপ্পা মারার অভিযোগে তৃণমূল, সিপিআই ও বিজেপির সংঘর্ষে আহত বেশ কয়েকজন।
গড়বাড়ি ১৫৩ নম্বর বুথে বিজেপি, তৃণমূল সংঘর্ষ আহত বেশ কয়েকজন। ঘরবাড়ি রাইপাড়ায়, মারধর ও গাড়ি ভাঙ্গচুর করা হয়, চেয়ার ভাগচুর, রান্নাবান্নার বাসনপত্র খাবারের জিনিসপত্র ছুড়ে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে সিপিআই ও বিজেপির বিরুদ্ধে। পঞ্চায়েত ভোটের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা আরামবাগের ধামসা এলাকায় ২৪১ নং বুথে তৃণমূল বিজেপির গন্ডগোলে ব্যালটবক্স জলে ফেলে দেয়। পুকুর থেকে ব্যালট বক্স উদ্ধার করে পুলিশ। খানাকুলে গুলির আঘাতে দু’জন জখম হয়। ধীর গতিতে ভোট প্রক্রিয়া চলতে থাকায় আরামবাগ, গোঘাট, পুড়শুড়া, খানাকুল ব্লকের একাধিক বুথে রাত পর্যন্ত চলে ভোট।

