আমাদের ভারত, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, ৫ মার্চ: ২০০৬ সালে ভাঙড় থেকে তৃণমূলের টিকিটে বামেদের হারিয়ে জয় পেয়েছিলেন তিনি। ২০১১ সালেও তৃণমূল তার উপরেই ভরসা করেছিল, কিন্তু দলীয় কোন্দলের জন্য হারতে হয়েছিল আরাবুলকে। ২০১৬ সালে সেই কোন্দলের কথা মাথায় রেখে আরাবুলের পরিবর্তে রেজ্জাক মোল্লাকে প্রার্থী করেছিল তৃণমূল। সেবারও খানিকটা দাঁতে দাঁত চেপে দলীয় কর্মীকে ভোটে জেতানোয় অগ্রণী ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন আরাবুল। ভেবেছিলেন এবার হয়তো নেত্রী আবার তাকে টিকিট দেবেন। বিগত বেশ কিছুদিন ধরে সেই কারণেই দলীয় কর্মীদের নিয়ে সম্মেলন থেকে শুরু করে নানাধরনের কর্মসূচি পালন করছিলেন তিনি। কিন্তু শুক্রবার বিকেলে নবান্ন থেকে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা দলনেত্রী ঘোষণা করলেও তাতে আরাবুলের নাম না থাকায় কার্যত হতাশ আরাবুল। হতাশ তাঁর অনুগামীরাও।
আর সেই কারণে প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর থেকেই আরাবুল অনুগামীরা ভিড় জমাতে শুরু করেছেন তাঁর বাড়িতে। অনেকের চোখে জল। টিকিট না পেয়ে মর্মাহত আরাবুল। দল বা দলনেত্রী সম্পর্কে একটিও শব্দ খরচ না করে তিনি বিলেন, “এই দলটাকে বুকে আগলে নিয়ে মানুষের পাশে থেকে লড়াই করেছি। এখানকার মানুষ যেমনটা বলবেন, আমি তেমনটাই করবো।”
আরাবুলের এই বক্তব্য যথেষ্ট ইঙ্গিতবাহী বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। আরাবুল অনুগামী সূত্রের খবর, দলের টিকিট না পাওয়ায় যথেষ্ট ক্ষুব্ধ তিনি। তাই নির্দল বা অন্য কোনও দলের টিকিটে বিধানসভায় লড়াই করতে পারেন। আরাবুল সে বিষয়ে মুখ না খুললেও, তাঁর বক্তব্য সেদিকেই ইঙ্গিত করছে বলে দাবি রাজনীতিবিদদের।

