আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগনা, ১২ মার্চ:
হাবড়ায় দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে এসে ফের একবার জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, “আমরা বিজেপিকে বুঝিয়ে দেব কত ধানে কত চাল? মুখ্যমন্ত্রী আক্রান্তের ঘটনা পরিকল্পিত। তাঁকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা ছিল।”
জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, ‘এবার থেকে নিরাপত্তারক্ষী ছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী নিরাপত্তায় থাকবে তৃণমূল কর্মীরাও, দলনেত্রী হুইল চেয়ারে প্রচার করবেন। দলীয় কর্মীরা এবার থেকে সচেতন থাকবে।’ ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের তীব্র সমালোচনা করে তাঁকে গণ্ডমূর্খ বলেন। আজ অর্জুন সিং বলেছিলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর নাটক বাংলার মানুষ গ্রহন করেনি। উনি নন্দীগ্রামে গিয়ে বুঝে গিয়েছেন জিতবেন না। নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে আঘাত পাওয়ার ঘটনা আসলে তৃণমূল নেত্রীর রাজনৈতিক গিমিক, মানুষের সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা। তবে বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গিমিক ধরে ফেলেছে। এটা নাটক ছিল উনার।’ এই প্রসঙ্গে অর্জুন সিংয়ের সমালোচনা করে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলে, ‘ব্যারাকপুরের সাংসদ গণ্ড মূর্খ, ওর ভাটপাড়া কেন্দ্রে এবার ওকে হারাব।’

তৃণমূল নেতা সমীর চক্রবর্তীকে শুক্রবার ইডি ডেকে পাঠানোর প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জানান, ইডি, সিবিআই আর ইনকাম ট্যাক্স এখন ক্লাস ওয়ান-টু -থ্রির মত হয়ে গিয়েছে। এরপরে ওরা পাড়ার চা ওয়ালা, সেলুনের দোকানদারদেরও ডাকবে।’ হাবড়া বিধানসভা মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে মুখ্যমন্ত্রীর আঘাত পাওয়ার ঘটনায় শুক্রবার বিকেলে হাবড়া দেশবন্ধু পার্ক থেকে জয়গাছি পর্যন্ত একটি মৌন মিছিলের আয়োজন করা হয়। সেই মিছিলে যোগদান করে হাবড়ার তৃণমূল প্রার্থী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, আগামী ২ মে ভোটের ফলাফলে ওদের জবাব দেব আমরা। ২ তারিখে বিকেল বেলায় দেখবেন অধিকারীবাবু হয় বাড়ির ছাদে, না হয় চিলেকোঠায় গিয়ে লুকাবে।

