আমাদের ভারত, ১১ ফেব্রুয়ারি:হোয়াটসঅ্যাপে যে নীতি নিয়ে বিতর্ক ঝড় উঠেছে, তা নিয়ে এবার কেন্দ্রে শ্রমবিধিতে আনা হচ্ছে পরিবর্তন। কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, বেতন সংক্রান্ত কোনো তথ্য কর্মীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য আর হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করবেন না তারা। এমনকি বাদ দেওয়া হবে অন্য নেট মাধ্যমগুলিকেও।
কেন্দ্র জানিয়েছে, ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করার ব্যাপারে হোয়াটসঅ্যাপে নতুন নীতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ফলে তাকে গুরুত্ব দিয়েই এই পদক্ষেপ নিয়েছেন তারা। কিছুদিন আগেই দেশের চাকরিজীবীদের বেতন সংক্রান্ত তথ্য দেওয়ার জন্য হোয়াটস অ্যাপ ব্যবহারের কথা বলেছিল কেন্দ্রীয় শ্রম ও নিয়োগ মন্ত্রক। এ বিষয়ে একটি খসড়া প্রস্তাব তৈরি করে পাবলিক ডোমেইনে তারা পাঠিয়েছিল মতামত জানার জন্য। শ্রমমন্ত্রক জানিয়েছিল, এক মাসের মধ্যেই এই নতুন নিয়ম বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধির অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
কিন্তু বৃহস্পতিবার এই পদক্ষেপ শুধরে নেওয়ার কথা জানালো কেন্দ্রীয় সরকার। পর্যবেক্ষকদের মতে হোয়াটসঅ্যাপ বা যেকোনো নেট মাধ্যমে বেতন সংক্রান্ত তথ্য দেওয়া নেওয়া হলে তার সংস্থা ও কর্মচারীর গোপনীয়তা বজায় রাখার চুক্তি লঙ্ঘন করতে পারে। বেহাত হতে পারে কর্মী ও সংস্থার ব্যাংক সংক্রান্ত গোপন তথ্য। এই বিষয়টি চিন্তায় ফেলেছে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রককে।
কেন্দ্রের আগের প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, বেতন সহ কর্মীদের প্রাপ্য সব রকম অর্থ তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে বা বেতন সংক্রান্ত তথ্য কর্মীরা পাবেন এসএমএস অথবা ই-মেইল বা হোয়াটস অ্যাপের মাধ্যমে। কিন্তু বৃহস্পতিবার শ্রমসচিব বলেন, ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য সরবরাহ নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপের নতুন নীতি আশঙ্কা বাড়িয়েছে। সেই আশঙ্কার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত। কেন্দ্র ঠিক করেছে বেতন সংক্রান্ত তথ্য দেওয়ার জন্য হোয়াটসঅ্যাপ বা কোনরকম নেট মাধ্যমে ব্যবহার করা যাবে না। এপ্রিল মাস থেকে চালু হচ্ছে নতুন শ্রমবিধি। আর এই নতুন বিধিতেই এই প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

