অনুব্রত মণ্ডলের জামিনের প্রার্থনা দাতাবাবার মাজারে মহিলা তৃণমূল কর্মীদের

আশিস মণ্ডল, সিউড়ি, ২১ অক্টোবর: অনুব্রত মণ্ডলের বিপদ মুক্তি চেয়ে ৭ ঘন্টা পায়ে হেঁটে বীরভূমের পাথরচাপুরিতে পৌঁছে দাতাবাবার মাজারে চাদর চাপালেন মহম্মদবাজারের একদল মহিলা তৃণমূল কর্মী। তাদের প্রার্থনা একটাই দলের নেতা অনুব্রত মণ্ডলের উপর থেকে কেটে যাক সব বিপদ। জেল থেকে বেরিয়ে আসুক অনুব্রত মণ্ডল দাদা। এই কামনা করেই ২৫ কিলোমিটার পথ হাঁটলেন একদল গৃহবধূ। তারা সবাই তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় কর্মী সমর্থক। 

বীরভূমের মহম্মদবাজার থেকে পায়ে হেঁটে সিউড়ি হয়ে পাথরচাপুরিতে দাতাবাবার মাজারে চাদর চাপালেন কয়েকজন মহিলা তৃণমূল কর্মী। ২৫ কিলোমিটার যাত্রা পথে তাদের সময় লেগেছে ৭ ঘন্টা।

২১ আগস্ট থেকে গরু পাচার মামলায় জেলে রয়েছেন তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। তাই তাঁর মঙ্গল কামনায় গৃহবধূরা পথে নামলেন। মহম্মদবাজার থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর তিনটে নাগাদ ৮ জন গৃহবধূ রওনা দেয়। মাথায় চাদর নিয়ে হাঁটতে হাঁটতে দাতাবাবার মাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। প্রায় ৭ ঘন্টা পায়ে হেঁটে তারা রাত ১০ টা নাগাদ সিউড়ি হয়ে পাথরচাপুরি মাজারে পৌঁছয় তারা।কিন্তু ওই রাতে মাজারের গেট বন্ধ হয়ে যায়। তাই ৮ জন মহিলা সারারাত গেটের বাইরেই বসে থাকেন।  শুক্রবার সকালে মাজারের গেট খুললে তারা জেলে থাকা অনুব্রত মণ্ডলের মঙ্গল কামনা ও জেল থেকে যাতে তাড়াতাড়ি বেড়িয়ে আসতে পারে সেই প্রার্থনা  করে দাতাবাবার মাজারে চাদর চাপান।

তৃণমূল কর্মী সাইদা খাতুন বলেন, “সবাই জানে দীর্ঘদিন ধরে বীরভূমের সবার প্রিয় তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল জেলে রয়েছেন। সেই কারণে পার্টির বিভিন্ন প্রোগ্রামে দাদার জায়গা ফাঁকা। কেষ্টহীন মঞ্চেই হচ্ছে পার্টির প্রোগ্রাম। দাদাকে ছাড়া একদম ফাঁকা লাগছে সমস্ত অনুষ্ঠান। দাদা সব সময় সবার পাশে থেকেছেন, যে কোনও সমস্যায় সবার পাশে থেকেছেন। তাই দাদার জন্য দোয়া করতে আমরা মহঃবাজারের মহিলা তৃণমূল কর্মীরা ২৫ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে দাতাবাবার মাজারে চাদর চপালাম এবং দাদার জন্য দোয়া করলাম।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *