আশিস মণ্ডল, বোলপুর, ২৭ এপ্রিল: নজরবন্দিকে গুরুত্ব না দিয়েই নির্বাচনে দলের হয়ে কাজ করে যেতে চান অনুব্রত মণ্ডল। মঙ্গলবার বোলপুরে সাংবাদিকদের এমনটাই জানালেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি। তবে কীভাবে তিনি দলের হয়ে নির্বাচনে কাজ করে যাবেন তা খোলসা করেননি। আগের দুটি নির্বাচনের মতো অষ্টম দফা নির্বাচনে বীরভূমে নজরবন্দি করা হল অনুব্রত মণ্ডল ওরফে কেষ্টকে। মঙ্গলবার বিকেলে এই নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্দেশে পরিস্কার বলা হয়েছে এদিন বিকেল ৫টা থেকে ৩০ এপ্রিল সকাল ৭টা পর্যন্ত তিনি নজর বন্দি থাকবেন। এই সময়ের মধ্যে তাঁর সঙ্গে থাকবে একজন মাজিস্ট্রেট পর্যায়ের আধিকারিক, কেন্দ্রীয় বাহিনী। নজরবন্দির সময়কালীন তার সমস্ত গতিবিধি ক্যামেরাবন্দি করা হবে। যদিও অনুব্রতকে নজরবন্দি এই প্রথম করা হয়নি। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনেও নজরবন্দি করা হয়েছিল তাঁকে। নজরবন্দি করেও তার গতিবিধি আটকানো যায়নি।
অনুব্রত মণ্ডলকে যে নজরবন্দি করা হতে পারে তার আভাস আগেই পাওয়া গিয়েছিল। চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গীতাঞ্জলীতে বলেছিলেন, কমিশন বার বার অনুব্রতকে নজরবন্দি করছে। কখনও আয়কর ডাকছে। এবার ডাকলে অনুব্রত আদালতে যাবে। যদিও সংবাদমাধ্যমের কাছ থেকে নজরবন্দির বিষয় জানতে পেরে অনুব্রত বলেন, “এর আগেও আমাকে নজরবন্দি করেছিল। কমিশনের ভালো লেগেছে করেছে। আমার কাজ আমি করে যাব। খেলা হবে। আদালতে যাওয়ার বিষয়ে দলের সঙ্গে আলোচনা করে করব। তবে গৃহবন্দি থাকব না। আমি ভোটের কাজ চালিয়ে যাব। তবে কীভাবে কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখব তা সংবাদমাধ্যমকে বলব না”।

