সোমনাথ বরাট, আমাদের ভারত, বাকুঁড়া, ১৭ আগস্ট:
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে র্যাগিং কাণ্ডের পর সতর্ক ঐতিহ্যবাহী বাঁকুড়া সম্মিলনী কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা হিসাবে অ্যান্টি র্যাগিং কমিটির বৈঠক বসে। এই ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে সেদিকে দৃষ্টি রেখে এদিন বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অ্যান্টি র্যাগিং কমিটিকে নিয়ে বৈঠকে বসে। এদিনের বৈঠকে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডঃ পঞ্চানন কুন্ডুর উপস্হিতিতে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক চলে।

যাদবপুর কাণ্ডে ছাত্র মৃত্যুর পর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তার বিষয় নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতর। রাজনৈতিক চাপানউতোর যাই হোক না কেন রাজ্যের শিক্ষানুরাগীদের অভিমত, পর্যাপ্ত পরিমাণে নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকলে এই ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনাকে এড়ানো সম্ভব।
বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সুপার ডঃ পঞ্চানন কুন্ডু বলেন, ‘ন্যাশনাল মেডিক্যাল কাউন্সিলের তরফ থেকে নির্দেশিকা জারি করা হয় যে গত ১২ আগস্ট অ্যান্টি র্যাগিং ডে পালন করার জন্য। সেই অনুযায়ী একটা কমিটি গঠন করে বিভিন্ন ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে র্যাগিংয়ের জন্য কি ধরনের আইন বা নির্দেশিকা রয়েছে সেগুলো সম্পর্কে তাঁদের অবগত করা, র্যাগিং আইনের বিভিন্ন ধারাগুলি তাদেরকে বোঝানো এসব করা চলছে। তিনি এও বলেন,‘যাদবপুর কাণ্ডের পরে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা সত্যিই নেওয়া হচ্ছে। উত্তীর্ণ
পড়ুয়াদের হোস্টেল ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হচ্ছে’।

এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে কলেজের পড়ুয়ারা। বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের এক মেডিক্যাল পড়ুয়া বলেন, ‘যদি এই সমস্ত উদ্যোগ আগে নেওয়া হত তাহলে হয়ত যাদবপুরের ওই পড়ুয়াকে হারাতে হোত না। এখন আমাদের কলেজেও অ্যান্টি র্যাগিং বিষয়ে সচেতনতা প্রচার করা হচ্ছে দেখে ভালো লাগছে।

