আমাদের ভারত, ১৫ জানুয়ারি: “বাংলাদেশ থেকে সব হারিয়ে হিন্দুরা তাদের একমাত্র হোমল্যাণ্ড পশ্চিমবঙ্গে এসেছিলেন, এর পর তাঁদের ভাবতে হবে তাঁরা কোথায় যাবেন? তাই সময় থাকতে হিন্দুরা এই হিন্দু বিরোধী মমতা সরকারকে উৎখাত করতে অবিলম্বে একত্রিত হন।” ১ মিনিট ৪৫ সেকেন্ডের ভিডিয়ো-সহ বৃহস্পতিবার এই কটাক্ষ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
তিনি লিখেছেন, ভিডিওটি উত্তরবঙ্গের ফালাকাটা থানার দেওগাঁও অঞ্চলের। সেখানকার দোকানের পাড়ে প্রমোদ কৃষ্ণ আর্য, বাবুরাম দাস, দীপক দাস ও সঞ্জয় সরকারের দোকান জবরদস্তি বেশ কিছু জেহাদি দখল করে নিয়েছে। গোটা ঘটনার নেতৃত্বে কে? না সেখানকার পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী। পুলিশ প্রশাসন যথারীতি সেখানে নিরব দর্শকের ভূমিকায়।

বর্তমানে এই রাজ্যে মমতা সরকারের তোষণনীতি চরম সীমায় পৌঁছে গিয়েছে, উদ্দেশ্যে সেই ভোটব্যাঙ্ক, কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজের কুর্সি টিকিয়ে রাখতে হবে। সুতরাং এই সব জেহাদি রাজ্যের যেখানে যা খুশি করুক, তাদের বিরুদ্ধে কোনোও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না।
আসলে এই সরকার দ্বিতীয় বাংলাদেশ সৃষ্টি করতে চায়। রাজ্যের হিন্দুদের একত্রিত হয়ে অবিলম্বে এই সরকারটাকে শিকড় সমেত উপড়ে ফেলতে হবে, না হলে এই সব ঘটনা তো ট্রেলার মাত্র, আগামী দিনে হিন্দুদের ভিটে মাটি সব এভাবে প্রশাসনের সামনেই দখল হবে, আর হিন্দুদের সব খোয়াতে হবে।”
এই সঙ্গে তিনি লিখেছেন, পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসন এই মুহূর্তে নেই, প্রশাসন সম্পূর্ণ ভাবে শাসক দলের দলদাসে পরিণত হয়েছে। রাজ্যে সরকার চলছে না সার্কাস বোঝা দায়।”

