স্বরূপ দত্ত, আমাদের ভারত, উত্তর দিনাজপুর, ২৩ ডিসেম্বর: শুক্রবার রায়গঞ্জ রেল স্টেশন পরিদর্শন করলেন উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের জেনারেল ম্যানেজার অনশুল গুপ্তা। এদিন বিকেলে একটি বিশেষ ট্রেনে করে সপার্ষদ রায়গঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছান জেনারেল ম্যানেজার। পরিকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি রায়গঞ্জ শহরে যানজট নিরসনে ফ্লাইওভার নির্মাণের ব্যাপারেও আশার কথা শোনান তিনি।

শুক্রবার রায়গঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন করলেন উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের জেনারেল ম্যানেজার অনশুল গুপ্তা। এদিন বিকেলে একটি বিশেষ ট্রেনে করে সপার্ষদ রায়গঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছান জেনারেল ম্যানেজার। সঙ্গে ছিলেন কাটিহার ডিভিশনের ডিআরএম সুধীর কুমার চৌধুরী সহ রেলের পদস্থ আধিকারিকরা। এদিন প্রথমেই রায়গঞ্জ রেল স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মে নতুন বসানো রেলওয়ে ইনফরমেশন ডিসপ্লে বোর্ডের উদ্ধোধন করেন অনশুল গুপ্তা। এই ডিসপ্লে বোর্ড থেকে বিভিন্ন ট্রেনের সময় সূচি জানতে পারবেন যাত্রীরা। পরে রেল পুলিশের অফিসেও যান তিনি। সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে গোটা স্টেশনের নজরদারি কিভাবে চলছে তা খতিয়ে দেখেন জেনারেল ম্যানেজার। কথা বলেন রেলের কর্তাদের সঙ্গে। পরে রেল কর্মীদের জন্য নবনির্মিত আবাসন কুলিক রেলওয়ে কলোনীর ফিতে কেটে উদ্ধোধন করেন জেনারেল ম্যানেজার অনশুল গুপ্তা।
উল্লেখ্য, রায়গঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের এক ও দুই নম্বর প্ল্যাটফর্মে দীর্ঘদিন ধরে এই পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ চলছে। স্টেশনের এক ও দুই নম্বর প্ল্যাটফর্মের অ্যাসবেসটসের পুরনো চাল পালটে নতুন চাল লাগানো হয়েছে। পড়েছে নতুন রঙের প্রলেপ। বৈদ্যুতিককরণের জন্য লাইনের পাশে খুঁটি পোঁতার পাশাপাশি প্ল্যাটফর্মে এলসিডি টিভি লাগানো হয়েছে অনেকদিন আগেই। এখানেই শেষ নয়, রেলের আয় বাড়াতে রেল কোচ রেস্তোরাঁ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জেনারেল ম্যানেজার অনশুল গুপ্তা বলেন, রায়গঞ্জ স্টেশনের সঙ্গে প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশের যোগাযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চলে। সেই কারণে রায়গঞ্জ গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন। এই স্টেশনের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পার্ক নির্মাণ, প্যাসেঞ্জার শেডের সম্প্রসারণ সহ অন্যান্য কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য নিয়েও এদিন আশার কথা শোনা যায় রেলের জেনারেল ম্যানেজারের মুখ থেকে।

আগামী দিনে রায়গঞ্জ ফ্লাইওভার নির্মাণ নিয়ে যে জটিলতা দেখা দিয়েছে প্রশাসনের সেই নো অবজেকশন সার্টিফিকেট শীঘ্রই মিলবে বলে দাবি করেন রেলের এই কর্তা।

