আশিস মণ্ডল, রামপুরহাট, ৫ ফেব্রুয়ারি: মাড়গ্রামে বোমায় আহত লালটু শেখের মৃত্যু হল কলকাতার পিজি হাসপাতালে। ফলে মাড়্গ্রামে বোমাবাজির ঘটনায় মৃত্যু হল দুই তৃণমূল কর্মীর। গতকালই মারা যান একজন। জখম লালটু শেখকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কলকাতায় পাঠানো হয়েছিল। গতকাল মারা গিয়েছিলেন নিউটন শেখ (৩৭)। বাড়ি বীরভূমের মাড়গ্রাম থানার হাসপাতাল পাড়ায়। ওই পাড়াতেই বোমাবাজির ঘটনাটি ঘটেছিল।
শনিবার রাতে দুই জন যখন বাইকে ফিরছিলেন সেই সময় ৮ টা নাগাদ বাড়ির কাছে দুষ্কৃতীরা তাদের লক্ষ্য করে ছোড়ে। বোমায় মৃত্যু হয় নিউটনের। জখম হন লাল্টু শেখ। তিনি মাড়গ্রাম ১ নম্বর পঞ্চায়েত প্রধান ভুটু শেখের ভাই। ঘটনার পরেই উভয় পক্ষের বোমাবাজিতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিউটনের স্ত্রী ফিরদৌসি বিবি বলেন, “আমার স্বামীকে জহির শেখ, আইনাল শেখ, সফিক শেখ, সুজাউদ্দিন শেখরা খুন করেছে। রাত্রি আটটা নাগাদ স্বামীকে বোমা মারার খবর পায়। ঘটনাস্থলেই স্বামীর মৃত্যু হয়। আমি ওদের শাস্তি চাই। ওরা কংগ্রেস করে। আমার স্বামী তৃণমূল করত। রাজনৈতিক কারনেই স্বামীকে খুন করেছে।”
ঘটনার খবর পেয়ে এলাকায় যান তৃণমূলের রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লক সভাপতি সৈয়দ সিরাজ জিম্মি, ২ নম্বর ব্লক সভাপতি সুকুমার মুখোপাধ্যায়, হাঁসন কেন্দ্রের বিধায়ক অশোক চট্টোপাধ্যায়, বোলপুর সাংসদ অসিত মাল।
জখম লালটু শেখকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কলকাতায় পাঠানো হয়েছিল। এসএসকেএম হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়েছিল। আজ তিনি মারা যান। জানা গেছে, অত্যাধিক রক্তক্ষরণ এবং কয়েকবার হার্ট অ্যাটাকে তার মৃত্যু হয়েছে। আজ মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম তাকে দেখতে গিয়েছিলেন। পুলিশ এখনও পর্যন্ত সুজাউদ্দিন সহ ছয় জনকে গ্রেফতার করেছে।

