আমাদের ভারত, জলপাইগুড়ি, ১২ মে: জলপাইগুড়িতে দম্পতির অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় পালিয়ে থাকা আরও এক অভিযুক্ত যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতি সৈকত চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সোনালী বিশ্বাসকে গ্রেফতার করল কোতোয়ালি থানার পুলিশ। যদিও সোনালীর দাবি, থানায় এসে তিনি আত্মসমর্পণ করেছেন। এই ঘটনায় যুক্ত সৈকত চট্টোপাধ্যায়কে এই মুহূর্তে গ্রেফতার করা যাবে না সার্টিক বেঞ্চের নির্দেশ। আরও এক অভিযুক্ত মনোময় সরকার পলাতক।
গত ১ এপ্রিল জলপাইগুড়ি পান্ডা পাড়ায় দম্পতির অস্বভাবিক মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছিল। মারা যান পুরসভার প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান অপর্না ভট্টাচার্য ও তাঁর স্বামী, আইনজীবী সুবোধ ভট্টাচার্য। ঘটনার পরে একটি সুইসাইড নোট পাওয়া যায়। সেখানে সৈকত চট্টোপাধ্যায়, সন্দীপ ঘোষ সহ আরও কয়েকজনের নাম উঠে আসে। তাদের চাপে অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। এদিকে মৃত আইনজীবী সুবোধ ভট্টাচার্যের দিদি তথা বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায় থানায় অভিযোগ করেন। মামলাটি কলকাতা হাই কোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চে উঠেছিল। বুধবার অভিযুক্ত ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা যুব তৃণমূলের নেতা সন্দীপ ঘোষ’কে গ্রেফতারের পর আজ শুক্রবার আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ।
এদিন ধৃত সোনালী বিশ্বাসকে জেলা আদালতে তুলে পাঁচ দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে চেয়েছে পুলিশ। আদালতে যাওয়ার সময় সোনালী বলেন, আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে। দম্পতির মৃত্যুর সঙ্গে আমি যুক্ত নেই। আমাকে উল্টে পুরসভার একাউন্টেন্ট চাকরি করিয়ে দেওয়ার নাম করে ৫ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা নিয়েছিল ওই দম্পতি ২০১৩ সালে।”

