আমাদের ভারত, জলপাইগুড়ি, ২১ ডিসেম্বর: জলপাইগুড়ির বৈকুন্ঠপুর রাজবাড়ির জমি হেরিটেজের মধ্যে কোন কোন জায়গা হবে এই বিষয়ে জরুরি বৈঠক হল বুধবার। এদিন জেলাশাসকের দফতরের কনফারেন্স রুমে রাজ্য হেরিটেজ কমিশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক হল।
এ দিনের বৈঠকে ভিডিয়ো কনফারেন্সের রাজ্য হেরিটেজ দফতরের আধিকারিকরা ছিলেন। জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা, অতিরিক্ত জেলাশাসকদের পাশাপাশি জলপাইগুড়ি পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায়, ভূমি দফতর ও জেলা পুলিশের কর্তারা ছিলেন। গত সোমবার রাজবাড়ি এলাকা পরিদর্শন করেছিলেন প্রশাসনের প্রতিনিধি। পুকুর, মন্দির সহ একাধিক ফাঁকা জমি যেমন রয়েছে তেমনি হেরিটেজ জমিতে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে বলে দাবি। কিন্তু কতটা জমি হেরিটেজের মধ্যে আসবে তা এখনও চিহ্নিত করা হয়নি। কিছু জমির মালিকানাশ অনেকের নাম নথিভুক্ত আছে বলে দাবি।
পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায় বলেন,
“হেরিটেজ কোন জমিটা। কতটুক হেরিটেজের জমি হবে। এটা হেরিটেজ দফতরকে বলতে হবে। আবারও প্রতিনিধি আসবেন জমি মাপামাপি হলে তা পরিস্কার হবে। তবে আলোচনা সদর্থক হয়েছে।”
এদিকে এসডিএলও শিবপদ মুখোপাধ্যায় বলেন, “হেরিটেজের প্রতিনিধিরা আবার আসবেন। আজ একটা ধাপ আলোচনা হল। জমি মাপামাপি হবে। কবে আসবে হেরিটেজ কমিশনের প্রতিনিধি তা কমিশন জানাবে।”

