আমাদের ভারত, ১৮ এপ্রিল: দেশ জুড়ে করোনার সংক্রমণ ষবাড়লেও এখনই লকডাউন করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বলেই মন্তব্য করেছেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। একই সঙ্গে তার মত নির্বাচনের সাথে করোনাকে এক আসনে বসানো ঠিক হবে না। টিকা সরবরাহ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চিন্তার কারণ নেই দেশে টিকা সরবরাহ ঠিক আছে।
তার কথায় করোনার প্রথম ঢেউয়ের সময় দেশে লকডাউন করার কারণ ছিল। তখন চিকিৎসা পরিকাঠামো তৈরি করা দরকার ছিল। যেটা বেশ কিছুটা এখন তৈরি হয়েছে। তাছাড়া এখন আমাদের হাতে টিকাও রয়েছে। এছাড়াও প্রতিনিয়ত বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ষদের সাথে আমরা আলোচনা করছি। প্রয়োজনে তারা পরিস্থিতি বুঝে ব্যবস্থা নেবেন। কিন্তু হঠাৎ করে লকডাউন ঘোষণা করার মতো পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি।
পশ্চিমবঙ্গ সহ বেশ কটি রাজ্যে বিধানসভা ভোট হয়ে গেছে এবং হচ্ছে। আর ভোট প্রচারের জন্যই করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি হচ্ছে বলেও মত অনেকের। এপ্রসঙ্গে অমিত শাহ বলেন, মহারাষ্ট্র তো কোনো নির্বাচন হচ্ছে না। তবুও সেখানে ৬০ হাজার আক্রান্তের সংখ্যা। যেখানে করোনা সংক্রমন দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে সেই রাজ্যগুলিতে নির্বাচন হচ্ছে এমনটা নয়। যে রাজ্যগুলিতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে সেই রাজ্যগুলির প্রতি আমার সমবেদনা আছে। কিন্তু নির্বাচনের সঙ্গে করণা সংক্রমণ কে এক আসনে বসিয়ে দেখা ঠিক হবে না। তার ধারণা নির্বাচন দেশের গণতন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যখন ঘোষণা হয়ে গিয়েছে তখন আর কিছু করার নেই, নির্বাচন হবেই।
টিকা সরবরাহ নিয়ে বিরোধীরা বারবার কেন্দ্রীয় সরকারকে বিধছেন। সেই সব অভিযোগ অস্বীকার করে অমিত শাহ দাবি করেন, ভারতের টিকা দেওয়ার গতি বিশ্বে সর্বোচ্চ।
প্রথম দশদিনের হিসেব দেখলেই বোঝা যাবে ভারতে বিপুল পরিমাণে মানুষ টিকা নিয়েছেন। আমি টিকার অভাব কোথাও দেখতে পাচ্ছি না।
করোনার প্রথম ঢেউয়ের মতো দ্বিতীয়বারে কেন প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রকে সক্রিয় ভূমিকা নিতে দেখা যাচ্ছে না বলে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। শাহের কথায়, “এই দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা। আগেরবারের মতই প্রধানমন্ত্রী এবারেও একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। সামাজিক সংস্থা গুলিকেও সাহায্য করেছে কেন্দ্র। বিজ্ঞানীরা নিজেদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। লড়াইটা কঠিন হলেও ভারত জিতবে বলে আমার মনে হয়।”

