আমাদের ভারত, ১৮ এপ্রিল: পাঁচ দফায় ১৮০ আসনে ভোট হয়ে গিয়েছে। আর তাতে বিজেপি ১২২ আসনে জিতছে। ষষ্ঠ দফাতেই ম্যজিক ফিগারে পৌঁছে যাবে পদ্মশিবির। আর এরপর ২মে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে পায়ে হেঁটে ইস্তফা দিতে যেতে হবে মমতাকে। তাই তার আগেই মমতা যাতে সেরে উঠতে পারেন তার জন্য তাকে কটাক্ষের সুরে শুভেচ্ছা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আরোগ্য কামনায় ভঙ্গিতেই তোপ দাগলেন তিনি তৃণমূল নেত্রীর উদ্দ্যেশ্যে।
আজ জামালপুরের জনসভা থেকে অমিত শাহ বলেন, দিদির গুন্ডারা এই পাঁচ দফায় কিছুই করতে পারেনি। সেই কারণেই দিদি হতাশায় ভুগছেন। দিদি ২মে-র আগে সেরে উঠুন, যাতে পায়ে হেঁটে রাজ্যপালের কাছে পদত্যাগপত্র দিতে যেতে পারেন। শাহ দাবি করেন, পাঁচ দফা নির্বাচনে দুই তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে গেছে বিজেপি। আর সেই কারণেই বিজেপি নেতাদের মোবাইলে ১২২ আসন সংখ্যাটা ঘুরে বেড়াচ্ছে।
রাজ্যে এখনও আরও ১১৪টি আসনে চার দফায় ভোট হবে। বিজেপি নেতাদের একাংশের মতে ষষ্ঠ দফায় নির্বাচন হলেই তারা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে যাবেন। বাকি দু’দফার জন্য আর অপেক্ষা করতে হবে না। যদিও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রথম দফার পর থেকেই এই শুরু ট্রেন্ড করে দিয়েছেন। তারপর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও একই কথা বলেছেন। চতুর্থ দফার ভোটের পরেই দুজনে বলেছিলেন বিজেপি সেঞ্চুরী হয়ে গেছে। পঞ্চম দফার পরেই তারা ১২২ আসন পাওয়ার দাবি জানাচ্ছেন।
রবিবার একাধিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে অমিত শাহ। সেখানে থেকেও তার আক্রমণের টার্গেট ছিল তৃণমূল নেত্রী ও তার দল। তাঁর কথায়, তৃণমূল সরকার বাংলায় নতুন মডেল চালু করেছে। বোমা-গুলি বন্দুকের জোরে সরকার চলছে বাংলায়। তার প্রতিশ্রুতি বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই মডেল বদলে যাবে। শুধু বড় ব্যবধানে জিতে ক্ষমতায় আসার কথাই নয়, নন্দীগ্রামের ভোট নিয়েও অমিত শাহ বলেন, যে যত বড় নেতা তার বিদায় ততটাই বড় হওয়া উচিত। শাহ দাবি করছেন, নন্দীগ্রামেও দিদির হারের ব্যবধান এবার অনেক বড় হতে চলেছে।

