অমরজিৎ দে, ঝাড়গ্রাম,১৯ ফেব্রুয়ারি: পাঠাগার পরিচালন কমিটি গঠনে অনিয়ম এবং অনিয়মিত পাঠাগার খোলার অভিযোগে লাইব্রেরিয়ানের বিরুদ্ধে সরব হলেন পাঠকরা। পাঠকদের বিক্ষোভে দীর্ঘক্ষণ একপ্রকার অবরুদ্ধ হয় লাইব্রেরিয়ান। ঘটনা ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর ১ নম্বর ব্লকের আলমপুর ৬ নম্বর অঞ্চলের ‘উপাময়ী স্মৃতি গ্রামীণ পাঠাগার’ এর। পাঠাগারের গ্রন্থাগারিক মৃণাল কান্তি মাইতির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগে সরব হন গ্রন্থাগারের স্থানীয় সদস্যরা।
অভিযোগ, লাইব্রেরিয়ান পাঠকদের কোনো রকম না জানিয়ে একপ্রকার অন্ধকারে রেখে পরিচালন কমিটি গঠন করেছেন। সাধারণ মানুষের জন্য একটি প্রতিষ্ঠান হলেও আলমপুর লাইব্রেরিটি নিয়মিত খোলেন না লাইব্রেরিয়ান। অভিযোগ, মাসে মাত্র দু’দিন লাইব্রেরিটি খোলা থাকে। তাও আবার কোনো রকম নোটিশ ছাড়া। ফলে বেশিরভাগ দিন মানুষ বই, পত্র পত্রিকা পড়ার প্রয়োজনে লাইব্রেরিতে এসে ফিরে যান।
তবে অভিযোগের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে আলমপুর উপাময়ী স্মৃতি পাঠাগারের লাইব্রেরিয়ান মৃণাল কান্তি মাইতি বলেন, কমিটি গঠনের বিষয়ে আমি কিছু জানি না। জেলা এমএলএ’র পক্ষ থেকে যে ভাবে নির্দেশ এসেছিল সে ভাবেই জেলা থেকে সুপারিশ করা দু’জনকে সভাপতি এবং সম্পাদক নির্বাচন করা হয়েছে। পরে সেই দুজনই তাঁদের পছন্দ মতো পরিচালন কমিটি তৈরি করেছেন।
অন্যদিকে আলমপুর লাইব্রেরির নবনির্মিত সম্পাদক চতুর্ভূজ পাত্র বলেন, আমার নাম কিভাবে জেলা থেকে পাঠানো হল তা জানি না। তবে আগে কয়েকবার লাইব্রেরিটির এডহক হিসাবে আমার নাম সুপারিশ হয়েছিল। তবে তার পদ পাওয়া নিয়ে লাইব্রেরীর সদস্যদের অসন্তোষের বিষয়টি অস্বীকার করে চতুর্ভূজ পাত্র বলেন, অভিযোগ জমা পড়লে ভেবে দেখতে পারি, তার আগে নয়।

