অসহায় পরিস্থিতিতে হিন্দু যুবককে আর্থিক সাহায্যের বদলে জোর করে ধর্মান্তরিত করা ও গোমাংস খাওয়ানোর অভিযোগ

আমাদের ভারত, ১৪ অক্টোবর:
এক হিন্দু যুবককে জোর করে ধর্মান্তরিত করার অভিযোগ উঠল ৫ মুসলিম যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে কর্নাটকে। পুলিশ অভিযুক্ত যুবকদের গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতদের নাম আনসার পাশা, নয়াজ পাশা, হাজি সাব, আতাউর রহমান এবং শোয়েব। অসহায় পরিস্থিতিতে আর্থিক সাহায্যের বদলে জোর করে ধর্ম পরিবর্তন করানোর অভিযোগে উঠেছে এদের বিরুদ্ধে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মান্ডিয়ার বাসিন্দা শ্রীধরকে ধর্মান্তরিত হবার জন্য চাপ দেন অভিযুক্ত ৫ যুবক। তারা একরকম শ্রীধরকে ইসলাম ধর্ম নিতে বাধ্য করেন। পরে অভিযোগ জানালে পুলিশি তৎপরতায় ৫ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। শ্রীধর প্রথমে হুবলি শহরের নবনগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ৫ জনের বিরুদ্ধে। পরে সেই মামলা বেঙ্গালুরু বনসঙ্করি থানায় স্থানান্তরিত করা হয়।

পুলিশ জানায়, শ্রীধরের বাবা মা মারা যাওয়ার পর পৈতৃক সম্পত্তি সব তার ভাইয়ের নামে লিখে নেয়। এই বিষয়ে মামলার পর তার ভাইয়ের সঙ্গে শ্রীধরের শত্রুতাও বাড়ে। দীর্ঘদিন মামলা-মোকদ্দমার ফলে তার আর্থিক সংকট তৈরি হয়। বাধ্য হয়ে তিনি একটি সাইবার সেন্টারে যোগ দেন। সেখানে এক মুসলিম ব্যক্তির সঙ্গে তার সমস্যার কথা তিনি ভাগ করে নেন। ওই ব্যক্তি স্থানীয় এক মুসলিম নেতার কাছে শ্রীধরকে নিয়ে যায় সাহায্যের জন্য। সেখানেই অভিযুক্তদের সঙ্গে দেখা হয় শ্রীধরের। অভিযুক্তরা তাকে তার সমস্যায় সাহায্য করার আশ্বাস দেয় এবং তৎক্ষণাৎ ৫০ হাজার টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করে।

পরবর্তীকালেওই সাহায্যের পরিবর্তে তারা দাবি করে যে শ্রীধরকে তাদের কথা মেনে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে হবে। শ্রীধর প্রতিবাদ করায় অভিযুক্তরা তার মাথায় রিভলবার ঠেকিয়ে হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। জোর করে তার হাতে অস্ত্র ধরিয়ে সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সমাজের কাছে তাকে সন্ত্রাসবাদি হিসেবে চিহ্নিত করে ভাইরাল করে দেবে বলে হুমকি দেয় অভিযুক্তরা।

শ্রীধরের আরও অভিযোগ, অভিযুক্তরা তার বিরোধিতা সত্ত্বেও তাকে গরুর মাংস খাইয়েছে। জোর করে এবং বিভিন্ন জায়গায় কোরান পাঠ করার জন্য পাঠিয়েছে। অভিযুক্তদের সঙ্গে মাফিয়া যোগ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *