আমাদের ভারত, ১১ জুলাই: পঞ্চায়েত ভোটের গণনা ঘিরে মঙ্গলবার রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বিজেপির রাজ্য দফতরে অশান্তির খবর আসে থাকে। আহত হয়েছেন অনেকে।
বালি, নিশিন্দা থানার অন্তর্গত দুর্গাপুর অভয়নগর পল্লী মাঠে যে স্ট্রং রুম হয়েছে সেখানে বিজেপির সব প্রার্থীকে, এজেন্টকে মেরে মাথা ফাটিয়ে কাউন্টিং হল থেকে বের করে দেওয়া হয়। মহিলাদের পোশাক ছিঁড়ে দেওয়া হয়, শারীরিক অত্যাচার করা হয় বলে অভিযোগ।
ডায়মন্ড হারবারের ফকির চাঁদ কলেজের গণনা কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী ও গণনা এজেন্টদের উপর হামলা করে তৃণমূল দুষ্কৃতীরা। বোমাবাজিও হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁদের এনআরএস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় চিকিৎসার জন্য।
সাউথ বাওয়ালি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপি প্রার্থীকেই বজবজ ২ নম্বর ব্লকের গণনা কেন্দ্র থেকে বাইরে বের করে দেওয়া হয়। ব্যারাকপুর ১ এর বিজেপি প্রার্থী বরুণ সর্দারকে টেনে হিঁচরে গণনা কেন্দ্র থেকে বের করে দেয় পুলিশ।
অপর এক দলীয় নোটিশে জানানো হয়েছে, “বাদুড়িয়ায় বিজেপি প্রার্থী এবং এজেন্টদের পুলিশের মদতে কাউন্টিং স্টেশন থেকে বের করে দেওয়া হয় বলপূর্বক।” এ ছাড়াও, বিষ্ণুপুর ২ ব্লকের বিদ্যানগর কলেজে বিজেপি এগিয়ে থাকা কালীন অবস্থায় তৃণমূলের প্রার্থীরা বিজেপি প্রার্থী ও এজেন্টদের উপর চড়াও হয় এবং ব্যালট বক্স ভাঙ্গচুর করে।
বীরভূমজুড়ে এত সন্ত্রাসের পরেও সাঁইথিয়া বিধানসভার অন্তর্গত ২১ ও ৬১ নম্বর বুথ আঙার গড়িয়া অঞ্চল ও মহম্মদবাজার অঞ্চলে কুলে ও রাজ্যধরপুর গ্ৰাম পঞ্চায়েত বিজেপি জিতল। একই সঙ্গে সিউড়ি এক নম্বর ব্লকের করিধ্যা পঞ্চায়েতের ঝোরামাঠেও জিতেছে বিজেপি।
হাওড়ার বিজেপির কাউন্টিং এজেন্ট শ্রীমতি পুতুল গাইনের কাপড় ছিঁড়ে দেয় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে বিজেপি কর্মীদের।
৪/ ৪১ নম্বর বুথের গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রার্থী রিংকু রায় রাজভর বিজেপি প্রার্থীকে ভোটে এগিয়ে যেতে দেখে গণনা কেন্দ্রের ভেতর ঢুকে ব্যালট বাক্স ছিঁড়ে কালি ঢেলে দেয়।

