আমাদের ভারত, হুগলি, ৮ মে: তৃণমূল কাউন্সিলরের বাড়ির সামনে বোমা মারার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে চুঁচুড়া থানার পুরনো কাপাসডাঙ্গা এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হুগলির-চুঁচুড়া পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর নির্মল চক্রবর্তীর পুরনো কাপাসডাঙার বাড়ির পাঁচিলের পাশে বোমা ফাটানো হয়। প্রচন্ড শব্দে বোম ফাটার শব্দ পান নির্মল বাবুর ভাই। সেই সঙ্গে আগুনের ফুলকিও তিনি দেখতে পান। তবে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে কাউন্সিলরের ভাই কাউকে দেখতে পাননি। এই ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে কাউন্সিলরকে ফোন করেন তার ভাই। সেই সময় তৃণমূল কাউন্সিলর দলীয় অফিসে ছিলেন। বাড়ি ফিরে দেখেন কেউ বোমা মেরেছে তাঁর বাড়ির সামনে।
এই গোটা ঘটনার কথা দলের নেতৃত্ব ও পুলিশকে জানান কাউন্সিলর। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন চুঁচুড়া থানার আইসি সহ বিরাট পুলিশ বাহিনী। পুলিশ এসে কাউন্সিলরের প্রতিবেশীর বাড়ির সিসি ক্যামেরা পরীক্ষা করে দেখেন।
কী ধরণের বোমা ফেটেছে সেটা খতিয়ে দেখছে চুঁচুড়া থানার পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় কেউ আহত হয়নি। এই ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।
তৃণমূল কাউন্সিলর নির্মল চক্রবর্তী অভিযোগ করে বলেন, তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র চলছে। যেহেতু আমি রাজনীতি করি তাই বিরোধীরা দুষ্কৃতীদের দিয়ে এই কাজ করিয়ে থাকতে পারে।
ঘটনার খবর পেয়ে পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান পার্থ সাহা সহ তৃণমূলের অন্যান্য নেতৃত্ব ঘটনাস্থলে হাজির হন। তৃণমূল নেতাদের একাংশের অভিযোগ, বিজেপি ভয় দেখাতে এই ঘটনা ঘটিয়েছে।
এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বিজেপির হুগলি সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক সুরেশ সাউ বলেন, কয়েকদিন আগে তৃণমূল কাউন্সিলরের অনুগামী এবং তৃণমূল বিধায়কের লোকজনের মারামারি হল। চুঁচুড়ার বিধায়ক নিজেই বলেছেন, তাদের দলের কর্মীরা চোর-ডাকাত। তাহলে তৃণমূলের কাউন্সিলের বাড়ির সামনে বোমা কারা মারল? আসলে নিজেদের বখড়ার গোলমালের জেরেই এসব হচ্ছে।

