স্নেহাশীষ মুখার্জি, আমাদের ভারত, নদিয়া, ৩ জুন: শক্তিনগর জেলা হাসপাতালের স্ট্যাম্প নকল ও মেডিক্যাল অফিসারের সই নকল করে অ্যাটেস্টেড করে আধার কার্ড সংশোধন করা হচ্ছিল, এমনই অভিযোগকে ঘিরে রীতিমত চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের কোতোয়ালি থানা এলাকার লাল মাঠ এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় কোতয়ালী থানার পুলিশ।

এদিন চার মহিলা আধার কার্ড সংশোধন করাতে এসে বিপাকে পড়েন। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে যাবতীয় নথি-পত্র ক্ষতিয়ে দেখে বুঝতে পারেন, জেলা হাসপাতালের স্ট্যাম্প ও মেডিক্যাল অফিসারের সই নকল করে কাজ চালানো হচ্ছিল অনেকদিন ধরে। লাল মাঠ এলাকাতে অস্থায়ী ভাবে গড়ে উঠেছে কিছু আধার সহযোগী কেন্দ্র। এদিন পুলিশ আসতে দেখেই তাদের অস্থায়ী অফিস ফেলে রেখে পালিয়ে যায় ঐ প্রতারক কর্মীরা।
জানা গেছে, এর আগেও জেলার বেশ কিছু অস্থায়ী আধার সহযোগী কেন্দ্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। কিন্তু সে ভাবে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি প্রশাসনের তরফ থেকে প্রশ্ন তুলছে সাধারণ মানুষ। এদিন পুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে যাবতীয় নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করে ও পলাতক প্রতারকদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এই এলাকাতে একটি স্থায়ী আধার পরিষেবা কেন্দ্র রয়েছে অনেকদিন ধরে। এটাকে কেন্দ্র করে ঐ এলাকার বেশকিছু জায়গায় কয়েকটি অস্থায়ী আধার সহায়তা কেন্দ্র গড়ে উঠেছে। বগুলা থেকে চারজন মহিলা আসেন আধার সংশোধন করাতে। অভিযোগ, ঐ আধার সহায়তা কেন্দ্রে জেলা হাসপাতালের স্ট্যাম্প ও মেডিক্যাল অফিসারের সই নকল করে আধার সংশোধন করা হচ্ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ আসতেই প্রতারকরা পালিয়ে যায়। পুলিশ নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করে ও তাদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে।
ঐ চার মহিলার মধ্যে এক মহিলার অভিযোগ, “আমি এখানে এসেছিলাম আমার বাপের বাড়ির ঠিকানা থেকে শ্বশুর বাড়িতে ট্র্যান্সফার করার জন্য। এখানে আসার পর এই অফিসের এক ব্যক্তি বলেন, সময় লাগবে তাতে ১০০টাকা করে লাগবে আর যদি সাথে সাথে করে নিয়ে যেতে চান তাহলে ৪০০ টাকা করে লাগবে। এর পর আমাদের সন্দেহ হলে প্রতিবেশীদের বিষয়টি জানাই।

