সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ২৭ জুলাই: একুশে জুলাই শহিদ দিবসে ধর্মতলায় বাস পাঠানোয়, একটি বাস বসিয়ে দিল বাস মালিক সমিতি। এর ফলে সাত থেকে আটজন শ্রমিক কর্মহীন। প্রতিবাদে বাস চলাচল বন্ধ রেখে বিক্ষোভ দেখাল বাসকর্মীরা। বাস চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তি নিত্যযাত্রীদের।
একুশে জুলাই উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁয় ৯২–এ রুটের একটি বাস ধর্মতলায় তৃণমূলের শহিদ দিবসের সভায় তৃণমূল কর্মীদের নিয়ে গিয়েছিল। ওই বাস শ্রমিকদের অভিযোগ, তৃণমূলের সভায় বাস পাঠানোর জন্য সেই বাস বসিয়ে দিয়েছে বাস মালিক সমিতি। বাস বসিয়ে দেওয়ায় কর্মহীন হয়ে পড়েছেন সাত-আটজন কর্মী। অবিলম্বে বসিয়ে দেওয়া বাসটি যাতে পুনরায় চলতে দেওয়া হয় সেই দাবি নিয়ে প্রশাসন ও দলীয় নেতৃত্বের দ্বারস্থ হলেন বাস শ্রমিক সংগঠনের সদস্যরা।

বুধবার সকাল থেকে তারা বনগাঁ- বাগদা রোডে বাস পরিষেবা বন্ধ রেখে মতিগঞ্জ ইছামতি বাস টার্মিনালে বিক্ষোভ দেখান। পাশাপাশি বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতি গোপাল শেঠ এবং এআরটিওর কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেন তারা। এই বিষয়ে বাস শ্রমিক সংগঠনের সহ সম্পাদক বিশ্বজিৎ দাস বলেন, “বাস মালিক সমিতির সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ একুশে জুলাইয়ে বাস যাওয়ার দরুন একটি বাসের রুটে চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে, যার জেরে সমস্যায় শ্রমিকরা।
শ্রমিকদের অভিযোগ অস্বীকার করে বাস মালিক সমিতির সম্পাদক জয়ন্ত সাহা বলেন, “একুশে জুলাই নয়, কুড়ি জুলাই সারাদিন ওই বাসটি রুটে চললেও শেষ টিপে বাসটি না যাওয়ায় একদিনের জন্য বাসটিকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। কিন্তু তারা ২১ শে জুলাইয়ের দোহাই দিয়ে বাস পরিষেবা বন্ধ রেখেছে। যার কারণে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে নিত্য যাত্রীদের।
বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতি গোপাল শেঠ বলেন, “বাস মালিক সমিতির পক্ষ থেকে একটি বাসের রুটে চলাচল বন্ধ করা হয়েছে, এই অভিযোগ আমার কাছে এসেছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
এ বিষয়ে বনগাঁ মহাকুমা হাসপাতাল থেকে রোগী নিয়ে ফেরার সময় এক ব্যক্তি বলেন, “হঠাৎ করেই বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়ায় ভোগান্তিতে আমরা।”

