নয়া জাতীয় শিক্ষানীতি নিয়ে সর্বভারতীয় পর্যায়ের আলোচনাচক্র

অশোক সেনগুপ্ত, আমাদের ভারত, ১৫ ডিসেম্বর: দেশব্যাপী বিস্তর আলোচনার পর পর্যায়ক্রমে রূপায়িত হচ্ছে জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০। এর প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় হিন্দি সংস্থানের সহযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ের দু‘দিনের একটি আলোচনাসভার আয়োজন হচ্ছে শুক্রবার থেকে।

এর আয়োজক কলকাতার বাবা সাহেব অম্বেদকর এডুকেশন ইউনিভার্সিটির (বিএসএইইউ, পূর্বতন দি ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটি অফ টিচার্স ট্রেনিং, এডুকেশন, প্ল্যানিং অ্যান্ড অ্যাডমিনিষ্ট্রেশন) ইন্টারনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল। অনুষ্ঠানের সামগ্রিক ভাবনা, তার রূপায়ণ ও প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসাবে থাকবেন বিএসএইইউ এবং ডায়মন্ডহারবার মহিলা বিশ্ববিদ্যায়ের উপাচার্য, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ডঃ সোমা বন্দ্যোপাধ্যায়।

১৯৬৮ ও ১৯৮৬র জাতীয় শিক্ষানীতি ১৯৯২-এ সংশোধন করা হয়। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০, একবিংশ শতাব্দীর প্রথম জাতীয় শিক্ষানীতি। এই নীতিতে প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত বিদ্যালয় শিক্ষার একাধিক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ যেহেতু পরবর্তী ২০ বছরের প্রণয়ন করা হয়েছে, তাই এই নীতিতে বিভিন্ন সুপারিশগুলির রূপায়ণের সময়সীমাও ভিন্ন ভিন্ন। তাই জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০-র রূপায়ণ পর্যায়ক্রমে পরিচালিত হচ্ছে। 

এই পরিস্থিতিতে শুক্রবারের প্রস্তাবিত আলোচনার বিষয়— ’নয়া শিক্ষানীতি-২০২০র পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষার চালচিত্রের পরিবর্তন: শিক্ষক এবং শিক্ষক শিক্ষকদের শিক্ষকের জাতীয় পেশাগত মান’। মুখ্য বক্তা থাকবেন ডঃ সোমা বন্দ্যোপাধ্যায়। উদ্বোধনী ও প্রধান অতিথি থাকছেন কেন্দ্রীয় হিন্দি শিক্ষণ মণ্ডলের সহ-সভাপতি ডঃ অনিল শর্মা জোশী। বিশিষ্ট বক্তা হিসাবে আসছেন আগ্রার কেন্দ্রীয় হিন্দি সংস্থান পরিচালক অধ্যাপক ডঃ বীনা শর্মা।

অধ্যাপক ডঃ সোমা বন্দ্যোপাধ্যায় এই প্রতিবেদককে জানান, ভারত সরকারের শিক্ষামন্ত্রকের অধীনস্থ ‘কেন্দ্রীয় হিন্দি সংস্থান’ হিন্দির প্রচার বা প্রসার ছাড়াও শিক্ষক প্রশিক্ষণ নিয়ে নিরন্তর চর্চা করে। তাদের আঞ্চলিক দফতরের সহযোগিতায় দু’দিনের এই সম্মেলনে সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ নিয়ে বলবেন সর্বভারতীয় স্তরের একাধিক প্রখ্যাত অধ্যাপক ও শিক্ষাবিদ।

জাতীয় স্তরের এই আলোচনাচক্রের সংগাঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক ডঃ মৃণাল মুখার্জি জানান, শিবিরে দু’দিন তিনটি করে টেকনিক্যাল সেশন থাকবে। বাছাই কিছু গবেষণাপত্র শিবিরে পড়ার সুযোগ থাকবে। আশা করা যায় এই দু’দিন ষাটের অধিক গবেষক তাঁদের গবেষণাপত্র উপস্থাপন করার সুযোগ পাবেন। এগুলোর মধ্যে নির্বাচিত বিভিন্ন গবেষণাপত্র প্রয়োজনে পরিমার্জনের পর ‘কেন্দ্রীয় হিন্দি সংস্থান’-এর সঙ্গে যৌথভাবে প্রকাশনারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *