আমাদের ভারত, ২ সেপ্টেম্বর:
ইসলামিক ভূমিকে মুক্ত করার জন্য বিশ্বজুড়ে জেহাদের ডাক দিয়েছে আল-কায়দা। আর তাতে উল্লেখ রয়েছে কাশ্মীরের। আফগানিস্তানে তালিবান জঙ্গিরা ক্ষমতায় আসার পরই নতুন করে উজ্জীবিত হয়েছে আল-কায়দা। কাশ্মীরকে যুক্ত করে তাদের প্রকাশিত এই বিবৃতির পেছনে রয়েছে পাকিস্তান, বলে মনে করছে ভারত সরকার।
এই সন্ত্রাসী সংগঠনের জেহাদের তালিকায় কাশ্মীর থাকলেও থেকে বাদ পড়েছে চেচনিয়া ও শিন জিয়াং। আর এটাই সরকারি সূত্রের পাকিস্তানের প্রতি সন্দেহ স্পষ্ট করেছে। আল-কায়দার আন্তর্জাতিক জেহাদ নিয়ে আশঙ্কার যথেষ্ট কারণ আছে। কাশ্মীর কখনোই তাদের এজেন্ডায় ছিল না। তাই মনে করা হচ্ছে এই বিবৃতি তৈরিতে হাত রয়েছে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই এর। আর এতে উৎসাহিত হবে লস্কর ই তৈবা ও জৈন ই মহম্মদের মতো জঙ্গি সংগঠনগুলি। আসলে আলকায়দাকে সামনে রেখে পাকিস্তান নিজের এজেন্ডা পূরণ করতে চাইছে বলে মনে করছে নতুন দিল্লি।
আল-কায়েদার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “লেভান্ত, সোমালিয়া, ইয়েমেন, কাশ্মীর সহ অন্যান্য ইসলামিক ভূমিকে ইসলামের শত্রুদের হাত থেকে মুক্ত করতে হবে। হে আল্লাহ, বিশ্ব জুড়ে মুসলিম কয়েদিদের মুক্তি দাও।” কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণভাবে রাশিয়ার চেচনিয়া ও চিনের শিনজিয়াং এর কোনো উল্লেখ নেই তাতে। আর এতেই পাকিস্তানের হাত যে রয়েছে বলে স্পষ্ট হয়েছে।
এদিকে তালিবান দাবি করেছে, তারা আগের মতো নেই। আফগান ভূখণ্ডকে অন্য দেশের ক্ষতির জন্য ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। কিন্তু তালিবানকে এখনই ভরসা করতে পারছেন না নয়া দিল্লি। কারণ হরকাত উল আনসারির মতো একাধিক সন্ত্রাসবাদি সংগঠনকে আশ্রয় দিয়েছে তালিবানরা। গোয়েন্দা বিভাগের এক আধিকারিকের কথায় আফগানিস্তানেই জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে পাকিস্তান। ফলে ভারতকেও প্রতি মুহূর্তে সতর্ক থাকতে হবে।

