আমাদের ভারত, জলপাইগুড়ি, ২৪ ফেব্রুয়ারি: গতকাল মহারাজ ঘাটে হাতির আক্রমণে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী অর্জুন দাসের মৃত্যুর ঘটনার পরে আজ পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে পাঠানোর জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করল প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে জঙ্গল সংলগ্ন এলাকার মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের বন দপ্তরের গাড়িতে করে পরীক্ষাকেন্দ্রে পাঠানো হলো। অন্যদিকে আজ মৃত ছাত্রের পরিবারের হাতে ক্ষতি পুরণ হিসেবে ৫ লক্ষ টাকার চেক তুলে দিয়েছেন জলপাইগুড়ি জেলা শাসক মৌমিতা গোদারা।
এদিন দুধিয়ার চর, টাকিমারি, মিলনপল্লী, সহ একাধিক এলাকার ছাত্রীছাত্রীরা টাকিমারি বাজার জড়ো হয়। সেখান থেকে বনদপ্তরের গাড়িতে করে পাঁচিরাম নাহাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের নিয়ে যাওয়া হয়। ৪৬ জন ছাত্রছাত্রীকে বেলাকোবা কেবলপাড় হাই স্কুলে বন দপ্তরের গাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরীক্ষা শেষে তাদের ওই গাড়িতে নিয়ে আসা হয়। প্রশাসন সুত্রের খবর, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার সময়ও একই ব্যবস্থা রাখা হবে।
এদিকে এদিন দুপুরে মৃত ছাত্র অর্জুন দাসের বাড়িতে যান জলপাইগুড়ি জেলা শাসক মৌমিতা গোদারা এবং রাজগঞ্জ বিধানসভার বিধায়ক খগেশ্বর রায়। জেলা শাসক বলেন, ক্ষতি পুরণ হিসেবে ৫ লক্ষ টাকার চেক তুলে দেওয়া হল। যে জায়গায় ঘটনা ঘটেছে সেটা একটা ফরেস্ট রোড।

যেহেতু ওই এলাকায় হাতি আছে সেই কারনে ওই রাস্তা প্রাথমিক ভাবে ড্রপ গেট দিয়ে আটকে দেওয়া হবে। তবে ওই রাস্তা দিয়ে এলাকার কিছু মানুষ ব্যবসার জন্য শিলিগুড়ি এলাকায় যায়, সেই কারণে চেষ্টা করা হচ্ছে যাতে এই জঙ্গল থেকে হাতিদের দূরে সরিয়ে দেবার জন্য। কিন্তু আপাতত এই এলাকা বিপজ্জনক, সেই কারণে ড্রপ গেট দিয়ে কিছু দিনের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।

