রাজেন রায়, কলকাতা, ১৪ আগস্ট: উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের প্রথম দিনই মুসলিম কন্যা বলে বিতর্কে জড়িয়ে ছিলেন উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি মহুয়া দাস। তার ওপর করোনায় চলতি বছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা বাতিল হওয়া সত্বেও বিপুল পরিমাণ ছাত্র-ছাত্রীদের ফেল করা নিয়ে স্কুলে স্কুলে শুরু হয়ে যায় বিক্ষোভ। মাধ্যমিকে সবাই পাস অথচ উচ্চমাধ্যমিকে এই ঘটনায় প্রশ্ন ওঠে মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে। পরে অবশ্য সবাইকে পাস করিয়ে দেওয়া হলেও অবশেষে নানা তর্ক বিতর্কের পর বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে শেষ পর্যন্ত অপসারণ করা হল উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি মহুয়া দাসকে।
জানা গিয়েছে, তাঁর জায়গায় উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নতুন সভাপতির দায়িত্ব পেলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। আগামী চার বছরের জন্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্যকে সংসদের নতুন সভাপতি করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। জানা গিয়েছে, আগামী সোমবার থেকেই নতুন দায়িত্বভার বুঝে নেবেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য।
প্রসঙ্গত, ঘটনার সূত্রপাত হয় উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের দিন। ওই দিন উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের সময় প্রথম স্থান অধিকারীর নামের সঙ্গে তাঁর ধর্মও উল্লেখ করেছিলেন উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি মহুয়া দাস। সেদিন সাংবাদিক বৈঠক থেকে উচ্চমাধ্যমিকের ফল ঘোষণা করার সময় মহুয়া দাস জানিয়েছিলেন, উচ্চমাধ্যমিকে সর্বাধিক ৪৯৯ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছে মুসলিম কন্যা রুমানা সুলতানা। এরপরই সংসদের সভাপতি মহুয়া দাসের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয় রাজ্য রাজনীতিতে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও সরব হন অনেকেই।

