স্বরূপ দত্ত, উত্তর দিনাজপুর, ২৬ এপ্রিল: কালিয়াগঞ্জের থানায় তান্ডব ও অগ্নিকান্ডর ঘটনার পর আতঙ্ক কাটিয়ে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে পরিবেশ। পথে বেরিয়েছে সাধারণ মানুষ।
বুধবার সকালে থানায় গিয়ে দেখা গেল একাধিক স্থানে তান্ডবের ছাপ স্পষ্ট৷ ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে ইট, পাথরের টুকরো। একপাশে রয়েছে পোড়া বাইকের সারি। এই থমথমে পরিবেশের মধ্যেই থানায় ধ্বংসস্তুপ সাফাইয়ের কাজ শুরু করে পুলিশ কর্মীরা।

মঙ্গলবার যেভাবে তাণ্ডব চালিয়ে আগুন ধরানো হয়েছে তাতে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় থানা চত্বর। সেই ঘটনার পর আজ সকাল থেকে স্বাভাবিকের পথে কালিয়াগঞ্জ। তবে এই ঘটনায় আতঙ্কিত থানা পাশ্ববর্তী এলাকার মানুষজন। বিক্ষোভকারীদের হাত থেকে বাঁচতে জনা ২০ পুলিশ কর্মী মঙ্গলবার ওই এলাকার কয়েকটি বাড়িতে ঢুকে আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেই সব বাড়িতে ঢুকেও পুলিশ কর্মীদের বেডধক মারধর করে বিক্ষোভকারীরা৷ নব নির্মিত আধুনিক মানের যাত্রী প্রতীক্ষালয়ও ভাঙ্গচুর করে বিক্ষোভকারীরা। যাত্রী প্রতীক্ষালয় তছনছ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ব্যবহৃত ঠান্ডা পানীয় জলের জলাধারও ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দিয়েছে আন্দোলনকারীরা।

বুধবার কালিয়াগঞ্জ পুরসভার প্রধান রাম নিবাস সাহা স্থানীয় কাউন্সিলার মনোজ সরকার ও শহর তৃণমূল সভাপতি রাজীব সাহাকে নিয়ে বিধ্বস্ত যাত্রী প্রতীক্ষালয় পরিদর্শন করেন। রাম নিবাস সাহা বলেন, আন্দোলনের নামে তাণ্ডব চালানো হয়েছে। ক্ষতি হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ জিনিসের৷ তাণ্ডবের পর এদিন এলাকায় জুড়ে সাফাই অভিযান চালানো হয় পুরসভার তরফে।

