পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, পূর্ব মেদিনীপুর, ১৬ অক্টোবর: কালী পুজোর আগে পাঁশকুড়ায় বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে দু’জনের মৃত্যুর পর নড়েচড়ে বসল প্রশাসন। শুরু হল ট্রিপল অভিযান। সম্ভাব্য বাজি তৈরির কারখানা গুলিতে অভিযান, জনবহুল এলাকায় ছৌ নাচের মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করা ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে হুঁশিয়ারি দেওয়া শুরু হল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাজুড়ে।
রবিবার সকাল থেকে পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরে মাইকিং শুরু করে কেশপুর থানার পুলিশ। অবৈধ বাজি কেনাবেচা সহ সবদিক থেকে হুঁশিয়ারি দিয়ে মাইকিং করা হয়। এমন হলে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার ও কড়া আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও জানান তারা।

অন্যদিকে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে মেদিনীপুর শহরের জনবহুল এলাকা কালেক্টরেট মোড়ে শব্দবাজিতে পরিবেশের কি কি ক্ষতি হয় সে বিষয়ে সচেতনতার প্রচার করে পুলিশ। জনবহুল ওই রাস্তার মাথায় ছৌ নাচের মাধ্যমে শব্দবাজির কুফল বিষয়ে মানুষকে বোঝানো হয়।
অন্যদিকে মেদিনীপুর কোতোয়ালী থানার টাউনবাবু
তরুণ দে’র নেতৃত্বে অভিযান শুরু হয়েছে দুদিন ধরে। ছেড়ুয়া, আয়তা সহ পাশাপাশি বেশ কয়েকটি গ্রামে অভিযান চালায় পুলিশ। অবৈধ বাজি তৈরির বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে প্রচুর পরিমাণ শব্দ বাজি ও বাজি তৈরীর সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। রবিবার ভোররাতে মেদিনীপুর শহর সংলগ্ন এলাকায় দুটি টোটো করে বাজি ভর্তি করে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ গ্রেপ্তার করে দু’জনকে। সেখান থেকে ৪০ কেজি বাজি ও অন্যান্য উপকরণ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত হয়েছে টোটোগুলিও।
কয়েক বছর আগে পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলা থানার ব্রাহ্মণবাড় এলাকায় অবৈধ একটি বাজি তৈরীর কারখানায় বিস্ফোরণে ৬ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল। সেই অভিজ্ঞতা ও পূর্ব মেদিনীপুরের মত অস্বস্তিকর পরিস্থিতি এড়াতে তৎপর হয়েছে জেলা পুলিশ

