স্বরূপ দত্ত, আমাদের ভারত, উত্তর দিনাজপুর, ২৩ সেপ্টেম্বর: গতকালে রাতে ভয়াবহক পথ র্দুঘটনায় নয়নজুলির জলকাদায় কোনও যাত্রী আটকে আছে কিনা তা দেখার জন্য ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে ডুবুরি নামিয়ে তল্লাশি অভিযান শুরু করা হল। আজ সকালে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে ডুবুরি নিয়ে আসা হয় ঘটনাস্থলে। ঘটনাস্থলে আছেন রায়গঞ্জ থানার পুলিশ।

উল্লেখ্য, বুধবার রাতে যাত্রী বোঝাই বাস নয়নজুলিতে পড়ে মৃত্যু হয় ৬ জনের, গুরুতর আহত বেশ কিছুজন। বাসটি পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে ঝাড়খন্ড থেকে লক্ষ্ণৌয়ের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। রায়গঞ্জ থানার রুপাহারে মহাদেবপুর এলাকার ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে নয়নজুলিতে উলটে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন রায়গঞ্জ থানার বিশাল পুলিশ বাহিনীর পাশাপাশি ছুটে আসেন এসডিও, আসেন পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সহ অন্যান্য পুলিশ কর্তারা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন জেলা বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর ও রায়গঞ্জ দমকল বাহিনী। তিনটি ক্রেনের সাহায্যে বাসটিকে তুলে আনা হয়। বাসে মধ্যে আটকে থাকা মৃতদেহগুলি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের রায়গঞ্জ জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। আহত পরিযায়ী শ্রমিকরা রায়গঞ্জ গর্ভামেন্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন।

ভয়াবহ দুর্ঘটনায় নজনজুলিতে কোনও যাত্রী আটকে আছে কিনা তা দেখার জন্য ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে ডুবুরি নামিয়ে তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত ছয় জনের মধ্যে তিন জনের শনাক্ত করা গেছে। তাদের নাম টোডো মুর্মু (২১), লখিরাম কর্মকার (২৬), মনসা তুরি (২৩)। এরা প্রত্যেকেই ঝারখন্ডের বাসিন্দা বলে জানা গেছে। বাকি তিনজনের নাম ঠিকানা এখনো পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

