আমাদের ভারত, জলপাইগুড়ি, ১৪ আগস্ট: পাঁচ ঘণ্টা ধর্ণায় বসেও ছেলেও বাড়িতে ঠাঁই হল না মায়ের। ষাট বছরের অসুস্থ মা’কে বাড়িতে না রেখে হোটেলে রাখার পরামর্শ দিলেন পেশায় দুবাইরের চাটার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট হিসাবে কর্মরত রাহুল কুমার আগরওয়াল (জৈন)। শনিবার এরকমই ঘটনা প্রকাশ্যে এল জলপাইগুড়ি শহরের বেগুনটারি সংলগ্ন শিববাড়ি এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দা কাউন্সিলর ও পুলিশের হস্তক্ষেপে মাকে বাড়িতে ঢুকতে না দিয়ে উল্টে মা’কে হেনস্তা করার অভিযোগ উঠল চাটার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট ছেলের বিরুদ্ধে। রাত বারোটায় কোতোয়ালি থানার দ্বারস্থ হলেন মা সুনিতা দেবী আগরওয়াল। পুলিশ অভিযোগ পেয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করল।
পরিবার সুত্রে জানা যায় রাহুল সহ মোট তিন ভাই তারা। তিন ভাইরের মধ্যে বড় ছেলে বাইরে থাকেন। গতমাসে অসুস্থ হয়ে শহরে ছোট ছেলের শ্বশুর বাড়িতে থাকতেন সুনিতা দেবী।
সুনিতা দেবী বলেন, “ছোট ছেলের স্ত্রী গর্ভবতী। এই কারণে শনিবার আমার আরেক ছেলে রাহুলের বাড়িতে এসেছিলাম থাকার জন্য। আমাকে বাড়িতে ঢুকতে দেয়নি। হোটেলে থাকতে বলে। এটা কি আমার ছেলে ভাবতে পাচ্ছি না। থানায় অভিযোগ করলাম।”
অভিযুক্ত ছেলে রাহুল আগরওয়াল বলেন, “আমি এই বাড়ি থেকে চলে যাব সকালে। এই কারণে মাকে রাখতে পারবো না। অন্য বাড়িতে রেখে দিচ্ছি মাকে। এরপর তিনি আর উত্তর না দিয়ে চলে যান।”
স্থানীয় কাউন্সিলর উত্তম বসু বলেন, “পুলিশ এসেছিল। বাড়িতে মাকে ছেলে ঢুকতে দিচ্ছেন না৷ আমরা চাই প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ করুক।”

