আমাদের ভারত, ২৬ ডিসেম্বর:আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে দেশজুড়ে করোনার প্রিকোয়েশন ডোজ দেওয়া শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা অনুযায়ী এই তৃতীয় ডোজ পাবেন করোনার যোদ্ধা চিকিৎসক বা ফ্রন্টলাইনরা। এছাড়াও তৃতীয় ডোজ পাবেন কমর্বিডিটি যুক্ত ষাটোর্ধ্বরা। কিন্তু এরপরই প্রশ্ন উঠেছে করোনার দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার কতদিন বাদে এই বুস্টার ডোজ নেওয়া যাবে?
স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে এই বিষয়ে এখনও স্পষ্ট করে কোন নির্দেশিকা দেয়া হয়নি এবং প্রধানমন্ত্রীও নিজের ভাষণে এই বিষয়ে উল্লেখ করেননি। সূত্রের খবর স্বাস্থ্য মন্ত্রকের ভিতরে এখনও পর্যন্ত দ্বিতীয় এবং বুস্টার ডোজের মধ্যে সময়ের ব্যবধান কত হবে তা নিয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে।
তবে প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়েছে দ্বিতীয় ডোজের সঙ্গে প্রিকয়েশন অর্থাৎ বুস্টার ডোজের সময়ের ব্যবধান হবে কমবেশি ৯ থেকে ১২ মাস বলে সূত্রের খবর। সরকারের টিকাকরণ সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটি এই নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা চালাচ্ছে।
আসলে টিকাকরণের প্রথম ও দ্বিতীয় দলের মধ্যকার সময় ব্যবধান নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে কোভিশিল্ডের ক্ষেত্রে এই বিভ্রান্তি বেশ বড় আকার নিয়েছিল। প্রথমদিকে কোভিশিল্ডের দুটি ডোজের মধ্যে সময়ের ব্যবধান ছিল চার থেকে ছয় সপ্তাহ । পরে তা বাড়িয়ে ৪৫ দিন করা হয়। আরও পরে সেটা বাড়িয়ে ৮৪দিন করা হয়। বিষয়টি নিয়ে বিরোধীরা সরব হয়েছিলেন, যে টিকা ঘাটতি মেটাতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝিতে শুরু হয়েছিল টিকাকরণ অভিযান।১১ মাসেরও বেশি সময় ধরে দেশে টিকাকরণ অভিযান চলছে। ইতিমধ্যে দেশজুড়ে ১৪১ কোটিরও বেশি ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। প্রাপ্ত বয়স্কদের মধ্যে ৬১ শতাংশ মানুষ ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ পেয়েছেন। প্রায় ৯০% মানুষ অন্তত একটি করে ডোজ পেয়েছেন।
অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী বুস্টার ডোজের সাথে ১৫-র উর্ধ্বদের টিকাকরণ শুরুর দিনক্ষণ জানিয়েছেন। আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে দেশের ১৫ ঊর্ধ্ব বয়সীরাও টিকা পাবেন।

