সুশান্ত ঘোষ, বনগাঁ, ৪ মার্চ: গাইঘাটার পর ফের বনগাঁয় ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি গোবিন্দ বিশ্বাসকে মারধরের অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। বিজেপির অভিযোগ বুধবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ থানার গাড়াপোতা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার কমলাপুর থেকে মিটিং সেরে ফেরার পথে গোবিন্দ বিশ্বাসকে লোহার রড ও বাঁশ দিয়ে মারধর করে বলে অভিযোগ। ঘটনার পর দুষ্কৃতীদের গ্রেফতারের দাবিতে বনগাঁ থানা ঘেরাও করে বিজেপি।
স্থানীয় সূত্রের খবর, বিজেপির বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও ব্রিগেড সমাবেশে যাওয়া নিয়ে গাড়াপোতা গ্রাম পঞ্চায়েতের কমলাপুর এলাকায় মিটিং সেরে বাইক চেপে বাড়ি ফিরছিলেন বিজেপির যুব মোর্চার বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সহসভাপতি গোবিন্দ বিশ্বাস। সেই সময় বেশ কয়েকজন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী চাঁদাবাজার চত্বরে তাঁর বাইক আটকে দেয়। গোবিন্দবাবু কিছু বুঝে উঠার আগেই তাঁকে কিল ঘুসি ও পরে লোহার রড এবং বাঁশ দিয়ে মাথায় আঘাত করে। তাঁর চিৎকারে আশপাশের বাসিন্দারা বেরিয়ে আসলে দুষ্কৃতীরা চম্পট দেয়। এরপর স্থানীয় বাসিন্দারাই তাঁকে উদ্ধার করে গুরুতর আহত অবস্থায় বনগাঁ হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থা আশঙ্কা থাকায় তাঁকে কলকাতা হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয় বনগাঁ হাসপাতালের চিকিৎসক।

ঘটনা জানাজানি হতেই ক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মীসমর্থকরা অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি তুলে বনগাঁ থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান। বিজেপির বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক দেবদাস মণ্ডল ও বিজেপি নেতা শোভন বৈদ্য বলেন, “গোবিন্দ বিশ্বাস দলের মিটিং সেরে বাড়িতে ফির ছিলেন। তৃণমূল দুষ্কৃতীরা তাঁর মাথায় বাঁশ ও রড দিয়ে আঘাত করে। ওঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। বারবার জ্ঞান হারাচ্ছেন। অভিযোগ, “তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে। কারণ তাঁদের নেত্রী খেলা শুরু করতে বলে দিয়েছেন তাই বিজেপি নেতা কর্মীদের মারধর করাই তাঁদের খেলা। খেলা শুরু করেছে তৃণমূল। ভোটের ময়দানে মানুষের সমর্থনে নয়, বিজেপি নেতাদের খুন ও মারধর করার খেলা শুরু করেছে তৃণমূল। তবে, এই ভাবে বিজেপিকে আটকাতে পাড়বে না তাঁদের নেত্রী।”

