আমাদের ভারত, ২৯ আগস্ট: ২০১১ সালের পর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাদের শিক্ষক পদে নিয়োগ করা হয়েছিল সে বিষয়ে রাজ্যের কাছে বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে ইডি। তার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ যাবতীয় তথ্য চেয়ে রাজ্যের সব জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যানকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। সেই চিঠি পাওয়ার পর জরুরি ভিত্তিতে তথ্য পাঠানোর জন্য বলা হয়েছে।
রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্ত শুরু হয়েছে। আদালতের নির্দেশে এই তদন্ত করছে ইডি। পর্ষদের চিঠিতে বলা হয়েছে ইডির পক্ষ থেকে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ থেকে ২০১১ সালের পর এখনো পর্যন্ত যত নিয়োগ হয়েছে তার যাবতীয় তথ্য চাওয়া হয়েছে। তথ্যের নির্দিষ্ট ফরম্যাট চিঠিতে জানিয়েছে পর্ষদ। সেইসঙ্গে বলা হয়েছে এই বিষয়টিকে যেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে চাকরি প্রার্থীর নাম, তার বাবার নাম, কোনো ক্যাটাগরিতে চাকরি, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর, ই-মেইল আইডি, কোন স্কুলে চাকরি এবং কোন বছরে চাকরিতে নিয়োগ তা জানাতে হবে। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি পদে সদ্য দায়িত্ব নিয়েছেন গৌতম পাল। দায়িত্ব পেয়ে প্রথমে তিনি জানিয়েছিলেন, প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছ নিয়োগ নিশ্চিত করবেন তিনি। প্রতিবছর যাতে নিয়োগ হয় সে বিষয়ে নজর রাখবেন নতুন সভাপতি। তিনি দায়িত্বে আসার পরেই এই চিঠি এসেছে।
চিঠি প্রসঙ্গে বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির নেতারা জানিয়েছেন, তৃণমূল সরকারের আমলে সব ধরনের নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে। আজ এটা দিনের আলোর মত পরিষ্কার। আদালতে মামলা হয়েছে বলেই সবাই সব জানতে পারছেন, না হলে ধামাচাপা পড়ে যেতে পুরোটাই।

