১৫ মাস পরেও আমফানের ত্রাণ দুর্নীতির রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের

রাজেন রায়, কলকাতা, ২৪ আগস্ট : আমফান আছড়ে পড়ার ১৫ মাস পরেও অস্বস্তিতে রাজ্য সরকার। আমফানে ত্রাণ বন্টন নিয়ে বারবার দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল।
বসিরহাটে ত্রাণ সামগ্রী বন্টন নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের হয়েছিল জনস্বার্থ মামলা। পুলিশের এই তদন্তের অগ্রগতি সংক্রান্ত রিপোর্ট মঙ্গলবার তলব করল ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।

২০২০ সালে রাজ্যের তরফে বসিরহাটের ২ নম্বর ব্লকের বিলি করা হয় আমফান ত্রাণ। ব্লকের  ঘোরারস কুলীন গ্রামে পাঁচ ট্রাক ভর্তি ত্রাণ সামগ্রী পাঠানো হয় বণ্টনের জন্য। অভিযোগ ওঠে, সেই সামগ্রী গ্রাম পঞ্চায়েত উপপ্রধান বাড়ির গোডাউনে বেআইনি মজুত করে। সম্প্রতি ঘোরারসের কাছেই মালতিপুর স্টেশন সংলগ্ন এলাকা থেকে দুটি ট্রাক বোঝাই ত্রাণ সামগ্রী গ্রামবাসীরা উদ্ধার করে। তাঁদের অভিযোগ, ত্রাণ সামগ্রী পাচার হয়ে যাচ্ছিল এলাকা থেকে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ পেয়ে  মাটিয়া থানায় এফআইআর রুজু হয়। স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে পুলিশ এফআইআর রুজু করলেও, মামলায় গ্রামবাসীদের অভিযোগ ছিল ভারতীয় দণ্ডবিধির উপযুক্ত ধারা যোগ না করার।

  ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দল বলেন, আমফানের মত প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়ে দুর্নীতির ঘটনা কীভাবে ঘটে? প্রশ্নের উত্তরে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত জানান, বিষযটি সবিস্তারে জেনে রিপোর্ট দিতে চায় রাজ্য। আগামী ২ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *