Postage stamp, Dev, তাঁর ওপর ডাকটিকিট নিয়ে অভিনেতা দেবের দাবি এবং বিতর্ক

অশোক সেনগুপ্ত, আমাদের ভারত, ১৮ জানুয়ারি:
এক্সবার্তায় নিজের ছবিওয়ালা একগুচ্ছ ডাকটিকিটের পাতা পেশ করে সেটি প্রকাশের জন্য ভারতীয় ডাকবিভাগকে অভিনন্দন জানিয়েছেন অভিনেতা দেব। সেটি প্রকাশ্যে আসতেই তোপ দেগেছেন নেটনাগরিকদের একাংশ। রবিবার এ নিয়ে কটাক্ষ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও।

মুদ্রিত ডাকটিকিটের পাতার ছবি যুক্ত করে জোড়হাতের চিহ্ণ-সহ দেব লিখেছেন, “গভীরভাবে সম্মানিত এবং বিনীত। আমাকে নিয়ে একটি ডাকটিকিট চালু করার জন্য ইন্ডিয়া পোস্টকে আমার আন্তরিক ধন্যবাদ। এমন সম্মানের যোগ্য বলে বিবেচিত হওয়া আমার কল্পনার বাইরে। এই স্বীকৃতি মানুষের ভালোবাসা এবং বিশ্বাসের সাথে সমানভাবে সম্পর্কিত, যেমনটি একজন মানুষ হিসেবে আমার যাত্রার প্রতি। কৃতজ্ঞ, সর্বদা।” এর পর একজোড়া জোড়হাতের চিহ্ণ।

এক্সবার্তায় অনেকে এই মন্তব্যের প্রতিবাদ করেছেন। তাঁদের অন্যতম হলেন সাংবাদিক
ময়ুখরঞ্জন ঘোষ। তিনি দেবকে লিখেছেন, “আপনার প্রতি আমার অগাধ শ্রদ্ধা এবং প্রশংসা রয়েছে। আমি আন্তরিকভাবে আপনার সাফল্য কামনা করি এবং ভালোবাসি কিন্তু এটি বিভ্রান্তিকর। এখানে ‘ফ্যাক্টচেক’-এর কিছু প্রসঙ্গ যোগ করছি— এটি ভারত সরকারের কোনও অফিসিয়াল ডাকটিকিট নয়। এটি ইন্ডিয়া পোস্টের “মাই স্ট্যাম্প” পরিষেবা থেকে এসেছে। সেখানে যে কোনও নাগরিক তাঁদের ছবি ছাপাতে পারেন। প্রায় ৩০০ টাকা দিয়ে একটি ব্যক্তিগত ডাকটিকিট পেতে পারেন। হয়তো আপনার বন্দনায় আপনার কোনও ভক্ত এটি করেছেন। কিন্তু আবারও বলছি, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বা মহাত্মা গান্ধীর মতো ব্যক্তিত্বদের নামে জারি করা সরকারি স্মারক ডাকটিকিটগুলির সাথে এর কোনও সম্পর্ক নেই। আপনি আপনার প্রিয়জনদের জন্য এই পরিষেবাটির বরাত দিতে পারেন।”

এক্সবার্তায় সেটি যুক্ত করে শুভেন্দু অধিকারী রবিবার লিখেছেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতারণা এবং আত্ম-গৌরবের সংস্কৃতির আরেকটি উদাহরণ! দাবি করা এই ‘সম্মান’ কোনও স্মারক ডাকটিকিট বা জাতীয় স্বীকৃতি নয়, বরং ইন্ডিয়া পোস্টের (ভারতীয় ডাকবিভাগ) প্রতিটি নাগরিককে ব্যক্তিগত ডাকটিকিট দেওয়ার একটি পরিষেবা। তৃণমূল কংগ্রেস কখন বাংলাকে বিভ্রান্ত করা বন্ধ করবে?”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *