সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ১৭ অক্টোবর: ভয় দেখিয়ে দীর্ঘ সাত মাস ধরে শ্যালিকার মেয়েকে লাগাতার ধর্ষণ করত, এমনই অভিযোগ উঠল নিজের মেসোর বিরুদ্ধে। যদিও তিনি একজন স্কুল শিক্ষক। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা থানার চাঁদপুর এলাকায়। রবিবার রাতে শ্যালিকা ও ১৪ বছরের ধর্ষিতা কিশোরীর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত মেসোকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম অতীশ হালদার তিনি একজন প্রায়মারি স্কুলের শিক্ষক।
ধর্ষিতা নাবালিকার মায়ের অভিযোগ, অভাবের সংসারে দুই মেয়েকে ঠিক ভাবে পড়াশোনা করাতে পেরে উঠছিলাম না। তাই সাত মাস আগে বোনের বাড়িতে বড় মেয়েকে পাঠিয়েছিলাম পড়াশোনা শেখানোর জন্য। মেয়ের কাছে জানতে পারেন, তাঁর মাসি বাড়িতে না থাকলে মেসো জোর করে তার সঙ্গে অশ্লীল আচরণ ও ধর্ষণ করত। মাসিকে জানালে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দিত। সেই ভয়ে সে সব কিছু মুখবুজে সহ্য করেত।
সরকারি আইনজীবী অসীম দেব বলেন, ওই নাবালিকা সাত মাস ধরে চাঁদপুরের মাসির বাড়ি থাকতো৷ অভিযোগ, ফাঁকা বাড়ির সুযোগ নিয়ে মেসো তাকে ধর্ষণ করত। শুক্রবার রাতে মাসি বাড়িতে না থাকার সুযোগ নিয়ে ওই নাবালিকাকে রাত তিনটের সময় ওই শিক্ষক তাঁর শোবার ঘরে জোর করে তুলি নিয়ে গিয়ে তাকে জোর করে ধর্ষণ করে। এরপর ওই নাবালিকা খুব অসুস্থ হয়ে পড়ে। খবর পেয়ে তার মা দেখতে গেলে ঘটনার কথা তার মাকে খুলে বলে ওই কিশোরী। এরপরই বাগদা থানায় লিখিত অভিযোগ জানায় কিশোরীর পরিবার৷ পুলিশ ধৃতকে সোমবার বনগাঁ মহাকুম আদলাতে পাঠায় ৷

