জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী বদলে যাচ্ছে বিদ্যালয় শিক্ষণ পদ্ধতি, রানাঘাট কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে খুশি পড়ুয়া থেকে শিক্ষক শিক্ষিকা সকলেই

আমাদের ভারত, নদিয়া, ২৮ জুলাই: বিভিন্ন রকম পরিস্থিতি অনুযায়ী পড়াশোনার চিরাচরিত পদ্ধতি পরিবর্তিত হয়েছে বারে বারে। তবে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রয়োজন মাফিক, বিভিন্ন শিক্ষাবিদদের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, অভিভাবক- অভিভাবিকাদের সম্মতিক্রমে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বিশেষ অনুশীলন প্রাপ্ত হয়ে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু বিদ্যালয়ে চালু হয়েছে নতুন শিক্ষণ পদ্ধতি। যার মধ্যে নদীয়ার রানাঘাট কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় অন্যতম।

শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা জানাচ্ছে এই বিশেষ শিক্ষণ পদ্ধতিতে তারা খুশি, গান নাচ আবৃতির মতন বিষয়গুলির সাথে হাতে-কলমে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা এমনকি বিভিন্ন ধরনের প্রজেক্ট তৈরির মাধ্যমে সৃজনশীলতা বৃদ্ধি হচ্ছে তাদের সন্তানদের। শিক্ষক-শিক্ষিকারা জানাচ্ছেন, একদিকে বইয়ের বোঝা অন্যদিকে সিলেবাস শেষ করানোর তাগিদ, এই দুইয়ের চাপের মধ্যে থেকে ক্ষুদে পড়ুয়ারা মুক্তি পেয়েছে। বিভিন্ন জটিল বিষয় খেলার ছলে নিজেরাই শিখছে। প্রজেক্টরের মধ্যে দিয়ে দেশে-বিদেশের ছেলে মেয়েরা সেই সংক্রান্ত কি প্রশ্ন করছে, তার উত্তরই বা কি দিচ্ছে সে সবই এখন তাদের নখদর্পনে। এমনো বহু ক্ষেত্রে হয়েছে, চিরাচরিত ধ্যান-ধারণার বাইরে শিশু তার নিজস্ব উপলব্ধি উপস্থাপিত করেছে যা অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য। আর এই চিন্তাশক্তির বৃদ্ধি এবং সৃজনশীলতার দক্ষতা বৃদ্ধি করাই শিশুর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তবে খুদে পড়ুয়ারাও বেশ খুশি, তা জানালো আমাদের ক্যামেরার সামনেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *