Sukanta, BJP, অভিষেককে পদে বসানো টার্গেট, পরিকল্পনা করেই ইডির তল্লাশিতে হামলা মুখ্যমন্ত্রীর, বিস্ফোরক দাবি সুকান্তর

আমাদের ভারত, ১৩ জানুয়ারি: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইডির তল্লাশির মাঝে ঢুকে পড়া ও বাধা দেওয়ার ঘটনা ইচ্ছাকৃত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই পদক্ষেপের পেছনে রয়েছে বড়সড় রাজনৈতিক স্বার্থ, এমনটাই দাবি কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের।

তাহলে কী সেই স্বার্থ? সুকান্তবাবুর মতে, একটি জরুরি পরিস্থিতি তৈরি করে, নিজের জায়গায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভোটের আগেই মুখ্যমন্ত্রী পদে বসিয়ে দিতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই এই পুরো নাটক করা হয়েছে।

মঙ্গলবার গঙ্গাসাগরে পুণ্য স্থানে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। সেখানে তিনি আইপ্যাকের অফিস এবং তার কর্ণধারের বাড়িতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইডির তল্লাশিতে বাধা দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সরব হন। প্রশ্ন ওঠে ইডির সঙ্গে সংঘাতে গিয়ে অভিষেককে কিভাবে মুখ্যমন্ত্রী করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? সুকান্তবাবুর ব্যাখ্যা, একটা সম্ভাবনা মাথা চারা দিয়েছে। যেখানে বলা হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনাটা ইচ্ছাকৃতভাবে ঘটিয়েছেন। উনি চাইছিলেন যাতে আদালত এমন কিছু একটা বলবে যাতে মুখ্যমন্ত্রী পদ ছেড়ে দিতে বাধ্য হন এবং একটা সংকটজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়। আর সেখানে তার জায়গায় অভিষেককে বসাতে পারেন।

কিন্তু ভোটের মুখে এমনটা কেন করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? এই প্রশ্নের উত্তরে সুকান্তবাবু বলেছেন, তৃণমূলের যে পুরনো অর্থাৎ বয়স্ক নেতৃত্ব রয়েছেন তারা কেউ অভিষেককে মেনে নিচ্ছেন না। তাই এমন একটা সংকটজনক পরিস্থিতি দেখিয়ে অভিষেককে মুখ্যমন্ত্রী করে দিতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর বলে দেবেন ভোটের পর দেখা যাবে কে মুখ্যমন্ত্রী হবে। আর তাকে সবাই জানেন, ভোটের সময় কাজী ভোটের পর খালাস।

একই সঙ্গে সুকান্ত মজুমদার এটাও আশঙ্কা করেছেন, ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের পুরনো নেতারা কেউ আর দলে নাও থাকতে পারেন। অভিষেকের নেতৃত্বেই নতুনরা পুরনোদের জায়গায় চলে আসবেন। তবে পুরোটাই একটা সম্ভাবনা হিসেবেই তুলে ধরেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *