আমাদের ভারত, ৩ অক্টোবর:
বাংলার রাজনীতি নিয়ে যখন দিল্লি সরগরম তখন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে তোপ দেগে বিস্ফোরক দাবি করেছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর দাবি, অভিষেকের নীরবে উগ্রপন্থী সংগঠনের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। এছাড়াও কটাক্ষ করে তিনি বলেন, দিল্লিতে হনুমানের মত লাফাতে গেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা। এরা ভারতবর্ষে ইতিহাস ভূগোল জানে না। সোমবার রাতে কলকাতা বিমানবন্দরে নেমে সুকান্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেন।
সোমবার রাজঘাটে তৃণমূলের কর্মসূচি ঘিরে অশান্তি ছড়ায়। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, ধর্নার সময় কর্মী সমর্থকদের ধাক্কাধাক্কি করেছে শাহের হাতে থাকা দিল্লি পুলিশ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পরে যখন সাংবাদিক বৈঠক করছিলেন তখন তাঁকে বাধা দেয় পুলিশ, বলেও অভিযোগ। আজ কেন্দ্রীয় গ্রাম উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূলের প্রতিনিধিরা। এদিকে রাজ্যে ফিরেই তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, “গুন্ডা মস্তানদের মতো হুমকি দিচ্ছে, বাংলার মানুষ সব দেখছে। তাদের গায়ে তো আর কেউ হাত দেয়নি। গান্ধীজীর সমাধিস্থলে গিয়ে হনুমানের মত লাফালাফি করেছে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা। আবার নিজেদের কর্মীরাই নেতাদের ফোন চুরি করে নিয়েছে। দুই সাংসদ- রাজ্যসভার সাংসদ ও লোকসভার সাসদের ফোন চুরি হয়েছে, তাও আবার যেমন তেমন ফোন নয় অ্যাপেল-১৫ চুরি হয়েছে। এই প্রথম রাজঘাটের দরজা এক ঘন্টা বন্ধ রাখতে হল। এইদিন গোটা পৃথিবী থেকে গান্ধীজিকে শ্রদ্ধা জানাতে মানুষ আসেন। ওদের( তৃণমূল নেতা) অন্তত শিষ্টাচার জানা উচিত। দেশের ইতিহাস ভূগোল না জেনে দিল্লিতে রাজনীতি করে লাফাতে গেছে। ”
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রাণহানি আশঙ্কার প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, ‘ছুঁচো মেরে হাত গন্ধ কেউ করতে চায় না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কে, যে ওর প্রাণহানি করতে যাবে? ভারতবর্ষের রাজনৈতিক নেতাদের সবচেয়ে বেশি রিস্ক থাকে উগ্রপন্থী সংগঠনগুলির থেকে। বিশেষ করে ইসলামিক উগ্রপন্থী সংগঠনগুলির থেকে’। এর পরেই বিস্ফোরক দাবী করেছেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তো নীরবে ইসলামিক উগ্রপন্থী সংগঠনগুলির হয়ে কাজ করে যাচ্ছে।’
দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে অভিষেকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন সুকান্ত। তিনি বলেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন নামই রয়েছেন।পিছন থেকে সরকার চালাচ্ছেন অভিষেক।

