সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, বনগাঁ, ২০ ডিসেম্বর: এক বছরও হয়নি বিয়ে হয়েছে হাওড়ার এক যুবতীর সঙ্গে। কিন্তু স্ত্রী থাকতেন তার স্ত্রী। অভিযোগ, বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছেন স্ত্রী। এই নিয়ে ঝামেলা হত দম্পতির। তার জেরে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী যুবক। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা থানার কলাসীমা এলাকায়। মৃত যুবকের নাম দীপঙ্কর দে (৩৩)। অভিযোগ, মেসোর সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছে তার স্ত্রী হাওড়ার দীপালি দাস।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, হাওড়ার বাসিন্দা দীপালি দাসের সঙ্গে ১১ মাস আগে বিয়ে হয় গাইঘাটার কলাসীমা এলাকার বাসিন্দা হরিপদ দে’র ছেলে দীপঙ্করদের সঙ্গে। পরিবারের দাবি, গৃহবধূ দীপালি দাস বিয়ের পর এক মাসও ঠিক মতো সংসার করেনি। প্রায় বাপের বাড়ি বেড়াতে যেত। দীপঙ্কর বাধা দিলে তার পরিবারকে হুমকি দিত ওই গৃহবধূ। দীপঙ্করের পরিবারের দাবি, দীপালি দাসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল তার মেসোমশাইয়ের। এই কারণেই দীর্ঘদিন ধরে মানসিক অবসাদে ভুগছিল দীপঙ্কর। সোমবার তার বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগ নিয়ে সে প্রথমে বারান্দায় খাবার টেবিলে উঠে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে কিন্তু সেই টেবিল ভেঙ্গে পড়ে যায়। পরে সে সিঁড়ির ঘরে গিয়ে একটি বাটামের সঙ্গে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে পড়ে।
এই ঘটনায় সকাল থেকেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকা জুড়ে। খবর পেয়ে দেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নিয়ে যায় গাইঘাটা থানার পুলিশ। প্রতিবেশী ও দীপঙ্করের পরিবারের দাবি, দিপালীর জন্যই জন্যই আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিতে হয় তাকে।

