সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ৩ অক্টোবর: প্রতিবেশী যুবকের ভোজালির কোপে জখম হলেন এক মহিলা। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাবড়া থানার রাওতারা বিশ্বাসপাড়া এলাকায়। এই ঘটনায় হামলাকারী যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত সাড়ে ১০ টা নাগাদ খাওয়া-দাওয়া সেরে ঘরের ভিতরে বসেই কথা বলছিলেন নাজমুন নাহার এবং তাঁর বাড়ির লোকেরা। সেই সময় ঘরের ভিতরে আচমকাই হাতে ভোজালি নিয়ে ঢুকে পড়ে খুরশিদ আলম নামে এক প্রতিবেশী যুবক। ঘরে ঢুকেই সে চিৎকার করতে বারণ করে নাজমুনকে। কিন্তু ওই মহিলা অস্ত্র দেখে ভয়ে চিৎকার করতে শুরু করেন। আর তখনই ওই দুষ্কৃতী নিজেকে বাঁচানোর জন্য নাজমুন নাহারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ মারে। ঘটনায় গুরুতরভাবে জখম হন তিনি। এর পরে চিৎকার চেঁচামেচি শুনে ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। কিন্তু ঘটনাস্থল থেকে ততক্ষণে পালিয়ে যায় ওই দুষ্কৃতী।
স্থানীয় লোকজন জখম নাজমুলকে তড়িঘড়ি বারাসত হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু তাঁর আঘাত গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘরে যে দুষ্কৃতী ঢুকেছিল, সে মুখোশ পড়ে ছিল। ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই এলাকায় পৌঁছায় হাবড়া থানার পুলিশ। ঘটনার সম্পূর্ণ বিবরণ শুনে তদন্ত শুরু করে। বাড়ির লোকেদের বিবরণ শুনে রাতেই পুলিশ ওই এলাকা থেকে হামলাকারী প্রতিবেশী যুবক খুরশিদ আলমকে গ্রেপ্তার করে।

তবে কি কারণে এই হামলা, তা এখনও পরিষ্কার নয়। ধৃতকে আজ আদালতে তুলে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার জন্য আবেদন জানানো হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে হামলাকারীর হেফাজত থেকে হামলার ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্রটি উদ্ধারের চেষ্টা করছে পুলিশ।

