পিন্টু কুন্ডু, বালুরঘাট, ৬ জানুয়ারি: হুইল চেয়ারে বসে একা মহিলা বিজেপিকে ২১৩ গোল দিয়েছে। যা শুধুমাত্র তাকিয়েই দেখেছে বিজেপি। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ব্যাপক সাফল্যের কথা তুলে ধরে বিজেপিকে জোর কটাক্ষ তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারের।
শুক্রবার বালুরঘাটের থানা মোড়ে প্রতিবাদ সভায় দাঁড়িয়ে জয়প্রকাশ মজুমদার জানিয়েছেন, ২১-এর নির্বাচনে অনেক রটানো হয়েছিল আগলি বার ২০০ পার। বিজেপি ক্ষমতায় আসছে বলেও প্রচার চালানো হয়। নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ ডেইলি প্যাসেঞ্জারি করে রাজ্যে এসেও আটকাতে পারেনি তৃণমূলকে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, গণনা কেন্দ্রে লোডশেডিং করে, কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের কিছু অসাধু কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সহায়তায় নির্বাচনে জিতেছেন শুভেন্দু অধিকারী। বালুরঘাটে প্রতিবাদ সভা থেকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু আধিকারিকে আক্রমণ শানিয়েছেন জয় প্রকাশ মজুমদার। এদিনের সভা থেকে শুভেন্দু অধিকারীকে লোডশেডিং অধিকারী এবং হুমকি অধিকারী বলেও সম্বোধন করেছেন তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার। বালুরঘাটে এদিনের ওই সভায় জয় প্রকাশ মজুমদার ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্য তৃণমূলের নেত্রী সায়ন্তিকা ব্যানার্জি, মন্ত্রী শশী পাঁজা সহ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূল নেতৃত্বরা।

এদিন যে সভা মঞ্চ থেকে একই সুরে আক্রমণ করেছেন সায়ন্তিকাও। তিনি বলেন, বাংলায় শুভেন্দু নামে আর পুত্র সন্তানের নাম রাখা হয় না। বিজেপি দলটাই ধাপ্পাবাজ। গিমিক দিয়ে চলছে বিজেপি শিবির, বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার বালুরঘাটের সাংসদ তথা রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে নিয়ে শাসক দলের দুর্নীতির প্রতিবাদে একটি সভা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যেখান থেকে সুকান্তকে নিয়ে একযোগে শাসকের দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়েছিলেন তারা। শুক্রবার সেই সভার পাল্টা সভা হিসাবে প্রতিবাদ সভার ডাক দেয় তৃণমূল নেতৃত্ব। মঞ্চের মূল বক্তা মন্ত্রী শশী পাঁজা আসার আগেই প্রচুর জনসমাগমে ভরে ওঠে বালুরঘাটের প্রশাসনিক ভবন চত্বর। কয়েক হাজার মানুষের উপস্থিতিতে বক্তব্য রাখেন শশী পাঁজা। তিনি বলেন, আবাস যোজনার সবচেয়ে বড় গলদ দেখা গিয়েছিল পূর্ব মেদিনীপুরে। মানুষ সবটাই জানে। তিনি আরো বলেন, তোয়ালের নিচে টাকা নিতে তাকেই দেখা গিয়েছিল। ওয়াশিং মেশিনে ঝাঁপ দিতেই টাকা নেওয়ার ভিডিও সরিয়ে দিল বিজেপি।

