আশিস মণ্ডল, বীরভূম, ২৪ অক্টোবর: লোহার রড বোঝাই লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢুকে গেল খাবারের দোকানে। দুর্ঘটনায় পর চারজনকে উদ্ধার করেছে দমকল বাহিনীর কর্মীরা। তাদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত যুবক রেল কর্মী বলে জানা গিয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর বীরভূমের রামপুরহাট থানার মাঝখন্ড গ্রামের কাছে।
জানা গিয়েছে, রবিবার বেলার দিকে রামপুরহাটগামী একটি লোহার রড বোঝাই লরি মাঝখণ্ড গ্রামের কাছে হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে জাতীয় সড়ক ছাড়িয়ে রাস্তার ধারে থাকা খাবারের দোকানে ঢুকে যায়। তার আগে পুলিশের একটি ট্রাফিক স্ট্যান্ড এবং বিদ্যুতের ট্রান্সফর্মায় ধাক্কা মারে লরিটি। ঘটনার সময় তিন রেল কর্মী ওই দোকানে টিফিন করছিলেন। দমকল কর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারা চারজনকে উদ্ধার করে। তাদের রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত যুবকের নাম পলাশ সরকার (৩২)। বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা থানার বেন্নাপাড়া। তিনি রেলের চতুর্থ শ্রেণির পদে কর্মরত ছিলেন।
রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত পলাশের সঙ্গে রাকেশ ঘোষ ও অজিত কেশরী এদিন সকালে মাঝখন্ড গ্রামের কাছে রেল লাইনে জঙ্গল পরিস্কার করার কাজ করছিলেন। বেলার দিকে তিনজনে গ্রামের বাইরে রাস্তার ধারের ওই দোকানে টিফিন করতে গিয়েছিলেন। তখনই দুর্ঘটনা ঘটে।
দোকানের মালিক পুশরী মণ্ডল বলেন, “আমি দোকানে সকলকে খাবার দিচ্ছিলাম। সেই সময় দেখলাম একটি লরি বিদ্যুতের ট্রান্সফর্মায় ধাক্কা মারার পর পুলিশের ট্রাফিক স্ট্যান্ড গুঁড়িয়ে আমার দোকানের দিকে ধেয়ে আসছে। তখনই আমি বিপদ বুঝে পিছন দিকে পালিয়ে যাই। কিন্তু খদ্দেররা উল্টো মুখে দাঁড়িয়ে থাকায় বুঝতে পারেনি। তাই চারজন জখম হয়েছে”।

