আমাদের ভারত, ৮ আগস্ট: নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাসের অভাব রয়েছে। তাই জোটের মধ্যেকার সমন্বয় পরীক্ষা করতেই অনাস্থা প্রস্তাব এনেছে ইন্ডিয়া জোট। মোদীর কথায়, ইন্ডিয়া জোট আসলে একে অপরের পরীক্ষা নিচ্ছে। এই অনাস্থা প্রস্তাব কে কে সমর্থন করছে তার মাধ্যমেই এই যাচাই পর্ব চলছে বিরোধীদের মধ্যে।
বিরোধী জোটের যে দলগুলি রয়েছে তাদের নিজেদের মধ্যেই কোনো বিশ্বাস নেই। সেই জন্যই সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছে ইন্ডিয়া জোট। অনাস্থা প্রস্তাব আলোচনার আগে এনডিএ সংসদের বৈঠকে এই কথাই বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ইন্ডিয়া জোটকে অহংকারী বলেও আখ্যা দিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, ইন্ডিয়া জোট যাই করুক না কেন আগামী লোকসভা নির্বাচনে জিতবে বিজেপিই।প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এসেছে রাজ্যসভায় দিল্লি অর্ডিন্যান্স বিলের প্রসঙ্গ।
মঙ্গলবার অনস্থা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার আগেই এনডিএ সংসদদের সঙ্গে বিশেষ বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী। সূত্রের খবর, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিরোধীদের নিজেদের মধ্যেই বিশ্বাস নেই। আর তার প্রতিফলন ধরা পড়েছে তাদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবে। রাজ্যসভায় দিল্লি অর্ডিন্যান্সকে কয়েকজন লোকসভার আগে সেমিফাইনাল বলে অভিহিত করেছিলেন। সেখানে এনডিএ প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন বলে তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন মোদী।
মোদীর ইন্ডিয়া জোটকে আক্রমণ করতে গিয়ে ঘমন্ডি বলেও কটাক্ষ করেছেন। তিনি বলেন, বিরোধীরা সামাজিক ন্যায়ের কথা বলে, কিন্তু তাদের দুর্নীতি তোষণের রাজনীতির কারণে সমাজের বিরাট ক্ষতি হয়েছে। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনেও বিজেপি জিতবে বলে আত্মবিশ্বাসী মোদী।
বৈঠক শেষে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘাওয়াল এই বিষয়গুলি সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন। মণিপুরের ঘটনায় সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছে কংগ্রেসের সংসদ গৌরব গগৈ। মঙ্গলবার থেকে এই নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। জানাগেছে, আগামী বৃহস্পতিবার লোকসভায় অনাস্থা প্রস্তাবের জবাবে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। তবে তার আগেই বিরোধীদের এক হাত নিয়ে ওয়ার্ম আপের কাজটা সেরে রাখলেন মোদী বলে মনে করছেন অনেকে।

